প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ১৯:১৩

বিজ্ঞান

মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, সিনিয়র শিক্ষক

দুলালপুর এস.এম.এন্ড কে. উচ্চ বিদ্যালয় কুমিল্লা।

 

প্রিয় শিক্ষার্থী বন্ধুরা, আজকে তোমাদের পাঠ্যবইয়ের প্রথম অধ্যায় (প্রাণিজগতের শ্রেণিবিন্যাস) এর সৃজনশীল প্রশ্নগুলোর উত্তর করতে যে বিষয়গুলো জানা থাকা প্রয়োজন তা তুলে ধরছি।

্তু১। প্রাচীর দিয়ে ঘেরা দেহ গহবরকে সিলেন্টেরন বলে। এটা একাধারে পরিপাক ও সংবহনের কাজ করে।

্তু২। ভ্রুণের যে সকল কোষীয় স্তর থেকে পরবর্তীতে টিস্যু বা অঙ্গ সৃষ্টি হয় তাদের ভ্রুণস্তর বলে।

্তু৩। বহুকোষী প্রাণীর পৌষ্টিক নালি এবং দেহ প্রাচীরের মধ্যবর্তী ফাঁকা স্থানকে সিলোম বলে।

্তু৪। হিমোসিলের ভিতর দিয়ে রক্ত প্রবাহিত হয়।

্তু৫। প্রাণিজগতে আর্থ্রোপোডা পর্বের প্রাণীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।

্তু৬। মলাস্কা পর্বের প্রাণীদের নরম দেহ ম্যান্টল দ্বারা আবৃত থাকে। মাংসল পা দিয়ে চলাফেরা করে।

্তু৭। যে সমস্ত প্রাণীকে এদের দেহের কেন্দ্রীয় অক্ষ বরাবর একাধিকবার সমান দু-অংশে ভাগ করা হয় তাকে অরীয় প্রতিসম প্রাণী বলে। যেমন-তারামাছ

্তু৮। কর্ডাটা প্রাণীজগতের একটি পর্ব। এই পর্বের প্রাণীদের নটোকর্ড, স্নায়ুরজ্জু ও গলবিলীয় ফুলকা ছিদ্র আছে এবং এরা কর্ডেট নামে পরিচিত।

্তু৯। ভার্টিব্রাটা উন্নত প্রাণী। এদের নটোকর্ড শক্ত কশেরুকাযুক্ত মেরুদণ্ডে পরিবর্তিত হয়।

্তু১০। স্নায়ুরজ্জুর সম্মুখ প্রান্ত স্ফীত হয়ে মস্তিষ্কে পরিণত হয়। মস্তিষ্ক করোটির মধ্যে সুরক্ষিত থাকে।

্তু১১। জলজ ভার্টিব্রাটা ফুলকার সাহায্যে শ্বসন কাজ চালায় আর যারা স্থলে বাস করে তারা ফুসফুসের সাহায্যে শ্বাসকার্য চালায়।

্তুক্ষতিকর পোকাদের পেস্ট বলে।