আস্থার প্রতিদান দিতে চান সোহেল রানা

আপডেট : ০৬ মার্চ ২০১৯, ২১:৪৪

স্পোর্টস রিপোর্টার

কম্বোডিয়া যাওয়ার বিমানে ওঠার আগে ঢাকায় বিমানবন্দরে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা সেলফি তোলায় ব্যস্ত। সবার মুখে হাসি। একজনই আলাদা ছিলেন।  শেখ রাসেলের ফুটবলার সোহেল রানা। একা বসে ছিলেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রথমবার খেলতে যাচ্ছেন, আনন্দ মনে থাকারই কথা। বিমানবন্দরে অপেক্ষমাণ এই ফুটবলার দুর্ঘটনায় নিহত স্ত্রী সন্তানের শোকে মুহ্যমান। চাইলেও চোখের জল থামানো যায় না। এক সময় তাঁর স্ত্রী প্রেরণা দিতেন।

ফুটবল ক্যারিয়ারে যতটুকু পথ হেঁটেছেন তার প্রায় পুরোটা জুড়েই ছিলেন স্ত্রী আফরিন। সব সময় খেলা নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলতেন। কীভাবে ভালো খেলা যায় তার জন্য আরো বেশি অনুশীলনের তাগিদ দিতেন। স্ত্রী আফরিনের স্বপ্ন ছিল তার স্বামী সোহেল রানা জাতীয় দলে খেলবেন। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে মাঠে নেমেছেন সেই ছবিটা দেখার অপেক্ষায় ছিলেন স্ত্রী আফরিন। কিন্তু দুর্ভাগ্য গত ২৪ নভেম্বর সড়ক দুর্ঘটনায় স্ত্রী এবং তিন বছরের শিশু সন্তান আফরান নিহত হন। সোহেল রানা অলৌকিকভাবে বেঁচে যান। জীবনে এত বড় ধাক্কা খেয়েও আবার ফুটবলে ফিরে আসা কঠিন। সোহেল রানা ফিরেছেন। জাতীয় দলেও ঠাঁই পেয়েছেন। কিন্তু দেখে যেতে পারলেন না তার স্ত্রী, সন্তান। এই সব ভেবে ভেবে সোহেল রানার চোখ ভিজে যাচ্ছিল। সোহেল রানা সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘আমার উপর আস্থা রেখেছে। এর প্রতিদান দেওয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’