কানাডার প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে গান লিখে চাকরি হারাচ্ছেন টনি

আপডেট : ০১ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ০৯:৪২
কানাডার প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন হারপারের বিরুদ্ধে গান লিখে চাকরি হারাতে যাচ্ছেন শিল্পী টনি টর্নার। তার ‘হারপারম্যান’ শীর্ষক গানটি  প্রকাশ করার পর ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আলোচিত মিউজিক ভিডিওটি ইউটিউবে ৫৪,০০০ হিট ও ২৮,৯৬৭ শেয়ার হয়েছে।
 
টনি কুড়ি বছর ধরে  পরিবেশ বিজ্ঞানী হিসেবে চাকরি করেছেন। হারপার এবং তার সরকারের তীব্র সমালোচনা করে গান লেখা ও গাওয়ার অপরাধে এই বিজ্ঞানীকে আপাতত বাধ্যতামূলক প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে সরকারি চাকরিবিধি লংঘনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তদন্তের পর হয়তো তিনি চাকরি হারাতে পারেন বলে অভিজ্ঞ মহল মনে করছেন। আগামী ১৯ অক্টোবর কানাডায় পার্লামেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠান। সেই কারণে গানটির মূল থিম হচ্ছেঃ ‘হারপারম্যান, এখন তোমার যাওয়ার সময় হয়েছে’ (‘no respect for environment / Harperman, it’s time for you to go”, and “no more cons, cons, cons / we want you gone, gone gone’)। তিনি নিজেই গানটির রচয়িতা, সুরকার এবং শিল্পী। তবে কোরাস অংশে বেশ ক’জন সহশিল্পী। 
 
উল্লেখ্য, চাকরির পাশাপাশি লেখক, ব্লকার, গীতিকার, সুরকার, শিল্পী, প্রযোজক, সংগঠক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৮০ সালে রাইটার্স ব্লকের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং ১৯৯৪ সাল থেকে অটোয়া লোক সঙ্গীত দলের সক্রিয় সদস্য। ২০০২ সালে তার প্রথম সিডি বের হয়। জনপ্রিয় এই লোকজ সঙ্গীত শিল্পী এখন স্ত্রী শ্যারন ও কন্যা আন্দ্রেয়াসহ রাজধানী অটোয়ায় বসবাস করেন। তিনি বলেন, ‘গান এখনও আমার জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ’।IMG0
 
ইতোপূর্বেও ক’বছর আগে প্রধানমন্ত্রী হারপারের নগ্ন ছবি এঁকে সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন অন্টারিওস্থ কিংস্টনের শিল্পী মার্গারেট সুদারল্যাণ্ড। কিংস্টন পাবলিক লাইব্রেরির দেয়ালে আঁকা মিস সুদারল্যাণ্ড সেই তৈলচিত্রটি নাম দিয়েছিলেন- দ্যা ‘এমপেররস নিউ ক্লথস।  উলঙ্গ ছবিটি প্রদর্শনের জন্য তখন সরকার কিংবা পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো বাধা দেয়া হয়নি।