বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ফলাফল প্রত্যাখ্যান করেছি। এখন আমাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে এবং আন্দোলন করতে হবে। যার মাধ্যমে পুনরায় নির্বাচন দিতে সরকারকে বাধ্য করা হবে। খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে প্রথম কাজটি হবে বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা।
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিত্সা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে গতকাল বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক ঘন্টার মানববন্ধনে তিনি এ সব কথা বলেন। দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত এ মানববন্ধনে ব্যাপকসংখ্যক নেতা-কর্মী উপস্থিত হন। মানববন্ধনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, মির্জা আব্বাস, ড. আব্দুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ভাইস-চেয়ারম্যান বেগম সেলিমা রহমান, শামসুজ্জামান দুদু, এ জেড এম জাহিদ হোসেন, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সবার আগে আমাদের বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। এ জন্য আমাদের আইনি লড়াই চলছে। এটির পাশাপাশি রাজপথে দুর্বার আন্দোলন করে তাকে মুক্ত করতে হবে, আন্দোলন ছাড়া নেত্রীর মুক্তি হবে না। তিনি বলেন, বেগম জিয়া অত্যন্ত অসুস্থ; তাকে সুচিকিত্সা থেকে বঞ্চিত করে রেখেছে এ অবৈধ সরকার। সবগুলো মামলা জামিন যোগ্য হলেও শুধুমাত্র সরকারের প্রতিহিংসার কারণে তাকে মুক্ত করা যাচ্ছে না।
