ভারতের পার্লামেন্টে হামলার দায়ে আফজাল গুরু এবং ১৯৯৩ সালে মুম্বাইয়ে ধারাবাহিক বোমা হামলার জন্য ইয়াকুব আবদুল রাজ্জাক মেমনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা ছিল রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত—এমনটাই মন্তব্য করেছেন দিল্লি হাইকোর্টের সাবেক প্রধান বিচারপতি এ পি শাহ। খবর জিনিউজের।
সিএনএন-আইবিএন চ্যানেলকে দেয়া বিশেষ সাক্ষাত্কারে আইন কমিশনের সাবেক এই চেয়ারম্যান মেমনের ফাঁসি প্রসঙ্গে বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতিদের মধ্যে রায় নিয়ে মতপার্থক্য ছিল। এ জন্য মামলাটি তিন সদস্যের আরেকটি বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়া হয়। এ ছাড়া, প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ হয়ে যাওয়ার পরও আসামিকে ১৪ দিন সময় দেয়া হয় কিন্তু এ ক্ষেত্রে তা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘মামলা চালানোর ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়া না মানার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলো—ইয়াকুব মেমনের মামলটি।’
আফজাল গুরু প্রসঙ্গে সাবেক বিচারপতি বলেন, ‘তার প্রাণভিক্ষার আবেদন দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলিয়ে রাখা হয়। পরে হঠাত্ করেই সরকার তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেয়।’
তিনি বলেন, ‘এ দুই ক্ষেত্রে সরকারের এমন সিদ্ধান্ত অবশ্যই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য-প্রণোদিত।’
তিনি অবশ্য স্বীকার করেন যে, বিচারকদের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে অনেক সময় রাজনৈতিক প্রভাব থাকে, যা তাদের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলে।
