মিয়ানমার থেকে গবাদি পশুর আমদানি বাড়ছে

আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১৬:১০
 
কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে মিয়ানমার থেকে গবাদি পশুর আমদানি বেড়েছে। কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ করিডোর হয়ে আসা গরু, মহিষ ও ছাগল থেকে সরকার রাজস্বও পাচ্ছে। এরই মধ্যে পাঁচ হাজারের বেশি পশু আমদানি করা হয়েছে। ঈদের আগে আরো ১০ হাজার পশু আমদানি করা হবে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
 
সংশ্লিষ্টদের তথ্য মতে, ভারত থেকে গরু আমদানি বন্ধ হওয়ার পর ব্যবসায়ীরা মিয়ানমার থেকে পশু আমদানির দিকে ঝুঁকি হয়ে উঠেছে। ফলে মিয়ানমার থেকে গত কয়েকদিন ধরে টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ করিডোর হয়ে গবাদি পশু আসছে।
 
টেকনাফ শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করিডোর হয়ে চার হাজার ১৯৪টি গরু, মহিষ ও ছাগল আনা হয়েছে। এসব পশু থেকে রাজস্ব পাওয়া গেছে ২০ লাখ ৮৫ হাজার টাকা। গত বছর মিয়ানমার থেকে পশু আনা হয়েছিল ২৫ হাজারের মতো।
 
করিডোর ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম জানিয়েছেন, গত চারদিন আরো এক হাজারের মতো পশু আমদানি করা হয়েছে। ঈদের আগে আরো ১০ হাজার পশু আমদানির টার্গেট রয়েছে। আর মিয়ানমার থেকে আসা পশুর মাংস গড়ে প্রতি মণ ১৬ হাজার টাকা হিসেবে বিক্রি হচ্ছে।
 
গরু ব্যবসায়ী আবু সৈয়দ জানান, কোরবার উপলক্ষে মিয়ানমার থেকে পশু আমদানি ক্রমাগত বাড়ছে। এসব পশুর মূল্য ক্রয় ক্ষমতার ভেতরে রয়েছে। চট্টগ্রাম ও ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছানো হচ্ছে এসব পশু।
 
ব্যবসায়ী মোহাম্মদ হাশেম জানান, করিডোর দিয়ে মিয়ানমার থেকে প্রতিদিন পশু আসছে। আসন্ন কোরবানি ঈদে চাহিদা থাকায় পশু আমদানি আরো বাড়তে পারে।