‘যারা প্রচলিত নিয়ম মেনে চলে না, বিধি লঙ্ঘন করে বাড়িঘর ও ভবন নির্মাণ করে, তারাই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) বেশি সমালোচনা করে থাকে।’ রবিবার রাজউক মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর ও দিনব্যাপী কর্মশালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন এ অভিযোগ করেন।
মন্ত্রী বলেন, ‘সারা ঢাকা শহরের প্রতিটি নির্মাণাধীন স্থাপনা সার্বক্ষণিক পরিদর্শন করার মতো জনবল রাজউকের নেই। এ শহরকে বাসযোগ্য রাখতে হলে জনগণের মধ্যেও সচেতনতা গড়ে তুলতে হবে এবং সকলকেই দায়িত্ব পালন করতে হবে।’
রাজউকের অটোমেশন কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও সেবার মানোন্নয়নে অনলাইন সেবা প্রদান চালুর লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (ধ২র) কর্মসূচি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ও রাজউকের মধ্যে এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত সচিব মঈনউদ্দীন আব্দুল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার আবু সালেহ মো. সাঈদ ও এডভোকেট নূর জাহান বেগম, রাজউক চেয়ারম্যান জিএম জয়নাল আবেদীন, রাজউকের সদস্য (পরিকল্পনা) আব্দুর রহমান ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক শেখ ইউসুফ হারুন।
পূর্তমন্ত্রী বলেন, ‘নগর পরিকল্পনায় দুরদর্শীতার অভাবে ঢাকা শহর আজ সমস্যায় জর্জরিত। ঢাকা শহর কতদিন পর কতটুকু সম্প্রসারণ হবে, তা নগর পরিকল্পনাবিদরা অনুধাবন করতে পারেন নাই। ফলে আজ শহরের মাঝখানে তেজগাঁও শিল্পএলাকা অবস্থান করছে। ২৫ লাখ লোকের বসবাসের পরিকল্পনা নিয়ে তত্কালিন ডিআইটি যাত্রা শুরু করেছিল। সেই ঢাকা শহরের বর্তমানে প্রায় দুই কোটি মানুষের বসবাস।’
খবর ফোকাস বাংলার।
