অবসরে না গিয়ে মুক্তিযোদ্ধার সনদ দেখিয়ে গাজীপুরের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটে এক বছর চাকরির সুযোগ নিয়েছেন ড. মো. শামছুল আলম। কিন্তু দুই মাস বাকি থাকতেই দেখা গেল—তিনি যে মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তার কোনো প্রমাণ নেই মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে।
এই সময়ে শামছুল আলম ইনস্টিটিউটের পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন শাখার পরিচালকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। দায়িত্ব পালন কলেছেন ইনস্টিটিউটের একটি বড় প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালকেরও।
রবিবার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপসচিব রেজাউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক পত্রে বলা হয়, ‘শামছুল আলম মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন—এমন কোনো প্রমাণপত্র পাওয়া যায়নি।’
এ বিষয়ে কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক রফিকুল ইসলাম মণ্ডল বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা সনদ জমা দিয়ে তিনি বাড়তি একবছর দায়িত্ব পালন করছেন। এক বছর শেষ হতে আর দুই মাস বাকি আছে। তার সনদের বিষয়ে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি চিঠি ফ্যাক্সযোগে পেয়েছি। এখন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার আলোকেই পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শামছুল আলম বলেন, ‘একটি অশুভ চক্র আমার বিরুদ্ধে কাজ করছে। মুক্তিযোদ্ধা ছিলাম এর স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আমার কাছে রয়েছে। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ই আমাকে সনদ দিয়েছিল। কেন এখন নতুন করে চিঠি দিল, সরেজমিনে গিয়ে যাচাই করব।’
