জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ১৯ শিক্ষকের পদ শূন্য

আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ২৩:৩৫

জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ৬৯ শিক্ষকের মধ্যে ১৯টি পদ শূন্য থাকায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে প্রাণীবিদ্যা বিভাগে ৬ শিক্ষকের জায়গায় রয়েছেন মাত্র ২ জন শিক্ষক।

কলেজ সূত্র জানায়, শূন্য পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে অধ্যাপক ৩ জন, সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক ১ জন করে এবং প্রভাষক পদে ১৪ জন।
 
বর্তমানে জয়পুরহাট সরকারি কলেজে ১৩ টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু রয়েছে। এগুলো হচ্ছে বাংলা, ইংরেজী, অর্থনীতি, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, দর্শন, ইসলামের ইতিহাস, গণিত, রসায়ন, পদার্থ, উদ্ভিদ বিদ্যা, প্রাণীবিদ্যা, হিসাব বিজ্ঞান ও ব্যবস্থাপনা। বিষয় গুলোর মধ্যে রসায়ন ও পদার্থ ছাড়া বাকী সব বিষয়ে এইচ এস সি থেকে মাস্টার্স পর্যন্ত রয়েছে। অন্যান্য বিষয় গুলোতে দু/এক জন শিক্ষকের পদ শূন্য থাকলেও প্রাণীবিদ্যা বিভাগে ৪শ ৮০ জন শিক্ষার্থীর জন্য বর্তমানে ২ জন শিক্ষক রয়েছেন।
 
ফলে এ বিভাগের শিক্ষা ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙ্গে পড়েছে। বিভাগীয় প্রধান ড. মো: শফিউল কাফী অনেকটা অসহায়ত্বের সঙ্গে বলেন ২০১৪ সালের অক্টোবর থেকে প্রমোশন ও বদলীজনিত কারণে এ সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে।
 
প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী শাহ আলম, লাকী আকতার ও সাদিকা আকতার  শিক্ষক না থাকায় চরম ক্ষতিগ্রস্থের কথা জানান। এ ছাড়াও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে ৫ জন শিক্ষকের বিপরীতে ২ জন রয়েছেন। ফলে এ বিভাগের ৫শ ৭০ জন শিক্ষার্থী কলেজে আসে আর যায়।
কলেজ সূত্র আরও জানায়, জয়পুরহাট সরকারি কলেজে শ্রেণী ও বর্ষভিত্তিক শিক্ষার্থীর সংখ্যা হচ্ছে ১৫ হাজার ৬১ জন। এর মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাধ্যমিকে ২ হাজার ৩ শ ৮৯ জন, ডিগ্রি(পাস) কোর্সে ৩ হাজার ৭০৩ জন, স্নাতক (সম্মান) পর্যায়ে ৮ হাজার ৩০৬ জন ও মাস্টার্স কোর্সে ৬ শ ৬৩ জন।
 
শিক্ষক সংকটের কারনে এই কলেজের শিক্ষা ব্যবস্থা বর্তমানে লাজুক অবস্থায় রয়েছে । শিক্ষক  সংকট বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে উল্লেখ করে জরুরী ভিত্তিতে প্রাণীবিদ্যা বিভাগ এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে শিক্ষক দরকার বলে জানান,ওই কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোহাম্মদ মোফাখ্খারুল ইসলাম।