সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের সরকারি বাহিনীকে সমর্থন দিতে সেখানে সামরিক অভিযানে অংশ নিতে শুরু করেছে রাশিয়া। দেশটির রাজনৈতিক ও সামরিক পরিস্থিতির বিষয়ে অবগত তিনটি লেবাননি সূত্র বুধবার এই তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্রের বরাত দিয়ে বৃহস্পতিবার রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধে রাশিয়ার সামরিক ভূমিকা গভীর হচ্ছে- যুক্তরাষ্ট্রের এমন শঙ্কার মধ্যেই এই তথ্য প্রকাশ পেল। তবে একটি সূত্র জানিয়েছে, সামরিক অভিযানে অংশ নেয়া এসব রুশদের সংখ্যা এখনো অল্প।
যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলেছিলেন, গত কয়েকদিনে সিরিয়ায় দুটি ট্যাঙ্ক ল্যান্ডিং জাহাজ ও পরিবহন বিমান পাঠিয়েছে রাশিয়া এবং নৌবাহিনীর অল্প কিছু পদাতিক সেনাকে সেখানে মোতায়েন করেছে।
লেবাননি সূত্রগুলোর মধ্যে দুজন জানিয়েছেন, সিরিয়ায় দুটি ঘাঁটি স্থাপন করছে রাশিয়া। একটি উপকূলের কাছে ও অপরটি দেশের অভ্যন্তরে। দ্বিতীয়টি অভিযান পরিচালনার ঘাঁটি হতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
এদিকে সিরিয়ায় রাশিয়ার সামরিক উপস্থিতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ন্যাটো উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
ন্যাটো প্রধান জেন্স স্টোল্টেনবার্গ বলেন, রাশিয়ার হস্তক্ষেপ সিরিয়া সংঘাত নিরসনে সহায়ক হবে না। যদিও বিষয়টি নিশ্চত নয়।
সিরিয়ায় চার বছর ধরে চলা গৃহযুদ্ধে বাশার সরকারের প্রধান মিত্র রাশিয়া জানিয়েছে, দেশটি সিরিয়ায় শুধু সামরিক বিশেষজ্ঞদের পাঠিয়েছে।
প্রতিনিধিরা জানিয়েছে, মস্কোর সহায়তা না পেলে সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ এখনই ক্ষমতাচ্যুত হতে পারেন।
