ব্যাংককে বোমা হামলা করেছে মানব পাচারকারীরা : থাই পুলিশ প্রধান

আপডেট : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৫, ১১:৫৩

ব্যাংককে হিন্দু মন্দিরে বোমা হামলাকারীরা মানবপাচারকারী দলের সদস্য এবং মানবপাচারের বিরুদ্ধে থাইল্যান্ড সরকারের দমনাভিযানের প্রতিশোধ নিতেই তারা এ হামলা চালিয়েছে বলে জানিয়েছে থাই পুলিশ। ১৭ অাগস্ট ব্যাংককের এরাওয়ান মন্দিরে ভয়াবহ বোমা হামলায় ২০ জন নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়।

 

ওই সময় গুঞ্জন উঠেছিল, জুলাইয়ে থাইল্যান্ড সরকার ১০৯ জন উইঘুর মুসলিমকে বহিস্কার করে চীনে ফেরত পাঠায়। এর বদলা নিতেই ওই হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু থাই পুলিশ প্রধান সময়ৎ পামপানমুয়াং এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিয়েছেন। মঙ্গলবার তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বোমা হামলার কারণ সম্পর্কে খুব সহজ ভাষায় বলতে গেলে বলতে হয়, আমরা মানবপাচারকারী চক্রকে ধ্বংস করে দিয়েছি এবং তারা আমাদের উপর রেগে গেছে।



উইঘুরদের চীনে পাঠানোর ব্যাপারে তিনি বলেন, থাই সরকার আন্তর্জাতিক আইন মেনেই ওই ১০৯ জনকে ফেরত পাঠিয়েছে। আমরা তাদের শুধু চীনে নয় বরং তুরস্কেও ফেরত পাঠিয়েছি। ব্যাংককে বোমা হামলাকারীরা বিদেশি জঙ্গি এবং উইঘুর মুসলিমদের সঙ্গে এ হামলার যোগসাজশ আছে এমন জল্পনা বরাবরই উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। তবে কোন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে পুলিশ এমন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে সে বিষয়ে কিছু জানাননি এই পুলিশ কর্মকর্তা।

IMG1

 

তবে থাই কনস্যুলেটে ভাঙচুরের ঘটনাটি উইঘুরদের বিতাড়িত করার জবাবেই ঘটেছে বলে ব্যাপকভাবে ধারণা করা হয়। তাছাড়া, উইঘুরদের বিষয়টির সঙ্গে ব্যাংককে হামলার ঘটনার যোগসাজশ থাকার সম্ভাবনা আরো জোরাল হয়েছে ধরা পড়া কয়েকজন সন্দেহভাজনের চীনা পাসপোর্ট পাওয়ার কারণে। সন্দেহভাজনদের অন্তত একজনের জন্ম সিনঝিয়াংয়ে।



বোমা হামলার সন্দেহভাজন মূল পরিকল্পনাকারী তার পাসপোর্টে জন্মস্থান সিনঝিয়াং বলে উল্লেখ করেছে। চীনের সিনঝিয়াং প্রদেশেই অধিকাংশ উইঘুর মুসলিমের বাস। উইঘুর মুসলিমরা থাইল্যান্ড হয়ে তুরস্কে প্রবেশের চেষ্টা করে। রয়টার্স ও নিউইয়র্ক টাইমস