তাড়াশে বারুহাস ইউনিয়ন ভূমি (তহসিল) অফিস নির্মাণে রফিকুল ইসলাম ও ওয়াদুদ আলী নামে দুই প্রভাবশালী বাধা দেয়ার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্মাণাধীন অফিসের পাশে দাঁড়িয়ে বিক্ষোভ করেছেন স্থানীয়রা।
বিক্ষোভকারী বারুহাস ইউপি চেয়ারম্যান মোক্তার হোসেন, ইউপি সদস্য ফরিদুল ইসলাম, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হান্নান, মোজদার হোসেন বিএসসি, সাদেক হোসেন, মোহসীন আলী, আব্দুল হালিম সরকার, রফিকুল ইসলাম, আজিজল রহমানসহ অনেকে বলেন, এসএ রেকর্ডিয় সম্পত্তির মালিক উপজেলার বারুহাস ইউনিয়নের বস্তুল গ্রামের গিরি সরদারের ছেলে শ্রী মধু সরদার, যাদু সরদার ও রমনী সরদার ১৯৬৯ সালে তত্কালীন বস্তুল তহসিল অফিসের নামে ২৯ শতক জায়গা দান করেন। দলিল নং ৪৯৭০। এরপর ৮০ সালে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে সিরাজগঞ্জের ডেপুটি কমিশনারের নামে আরএস ১নং খাস খতিয়ানে রেকর্ড চূড়ান্তভাবে লিপিবদ্ধ হয়। অথচ বস্তুল গ্রামের রফিকুল ইসলাম গং ও ওয়াদুদ আলী পরবর্তীতে তহসিল অফিসের নামে দান করা ওই জায়গা ভুয়া দলিল করে নিজেদের বলে দাবি করছেন।
তবে অভিযুক্ত রফিকুল ইসলাম ও ওয়াদুদ আলী তহসিল অফিস নির্মাণে বাধা দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেছেন, ওই সম্পত্তি নিয়ে আদালতে মামলা রয়েছে। আদালত যে রায় দেন তারা মেনে নেবেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভারপ্রাপ্ত সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফ্ফাত জাহান দৈনিক ইত্তেফাককে বলেন, বারুহাস ইউনিয়ন তহসিল অফিস নির্মাণের ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী সবকিছু যাচাই-বাছাই করে সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়। এরপর দরপত্র আহবান করে ঠিকাদারের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ শুরু করা হয়েছে। তা ছাড়া ওই সম্পত্তি ১নং খাস খতিয়ানভুক্ত। ব্যক্তি নামে নামজারি হওয়ার কোন আইনগত সুযোগ নেই।
