বাংলার আকাশে-বাতাসে, জলে-হাওয়ায়, গাছে গাছে, ঘাসে ঘাসে শরত্ তার আপন ঐশ্বর্য-ডালি সাজিয়ে রাখলেও নগরবাসীর জীবনেও শরত্ যে সাদা মেঘের ভেলায়, কাশবনের দোলায় ডাক পাঠিয়েছে—গতকাল শরত্ উত্সবের অনুষ্ঠানে নগরবাসীর উপস্থিতি দেখে তা অস্বীকার করার উপায় ছিল না। গানে, নৃত্যের ছন্দে মানুষের মনের উচ্ছ্বল আনন্দ মূর্ত হয়ে উঠেছিল শুক্রবার শরত্ সকালে সরব উপস্থিতির মধ্য দিয়ে।
এ উত্সবে সকাল এবং বিকালে দলীয় নৃত্যে অংশগ্রহণ করে স্পন্দন, নৃত্যম, নটরাজ, নবচেতনা সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, নৃত্যজন, বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস, ভোরের পাখি নৃত্যকলা কেন্দ্র, স্বাধীনতা একাডেমি ও সুরবিহার এবং আদিবাসী সংগঠন গারো কালচারাল একাডেমি, দলীয় সংগীতে অংশগ্রহণ করে উদয়ন স্কুল, সত্যেন সেন শিল্পগোষ্ঠী, স্ব-ভূমি লেখক শিল্পী কেন্দ্র, সুরসপ্তক, সুরতাল সঙ্গীত একাডেমি, আনন্দন ও দলীয় আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করে ঢাকা স্বরকল্পন ও শ্রুতিঘর। একক সঙ্গীত পরিবেশন করেন সালমা আকবর, বিমান চন্দ্র বিশ্বাস, বিজন চন্দ্র মিস্ত্রি, মাহজাবিন রহমান শাওলী, রত্না সরকার, এস.এম মেজবা, শ্রাবনী গুহ রায়, সমর বড়ুয়া, প্রলয় সাহা, সঞ্জয় কবিরাজ, মীরা মন্ডল ও ফায়জুল আলম ইমু। একক আবৃত্তিতে অংশগ্রহণ করেন বেলায়েত হোসেন, রফিকুল ইসলাম, ফয়জুল আলম পাপ্পু, নিমাই মন্ডল, নায়লা তারাননুম চৌধুরী কাকলি ও ঝর্ণা সরকার।
