স্টাফ রিপোর্টার, বগুড়া
আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বগুড়ায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীদের জয়ের পথে গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছেন দলটির একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী। জেলার ১২ উপজেলার মধ্যে পাঁচটিতে ক্ষমতাসীন দলের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী এবারের নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
এসব উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি নেতারাও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন। তবে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে নির্বাচন করায় ইতোমধ্যেই তাদের দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি প্রার্থীদের পেছন থেকে সরে পড়েছেন। নির্বাচনী মাঠে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের দেখা নেই বললেই চলে। কারণ, বহিষ্কার আতঙ্কে রয়েছেন তারাও। এবার উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের জয়ের পথে বিদ্রোহীদের বড় কাঁটা বলে মনে করছেন দলটির কর্মী-সমর্থকরা।
বগুড়ার ১২টি উপজেলার মধ্যে ইতিমধ্যে দুটি উপজেলায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন শেরপুর উপজেলায় জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু ও আদমদীঘি উপজেলায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম খান রাজু।
চেয়ারম্যান পদে বাকি ৯টি উপজেলায় ভোটের লড়াই হবে। তারমধ্যে ৫টি উপজেলায় নৌকার প্রার্থীদের একইদলের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থীর সঙ্গে লড়তে হচ্ছে। এছাড়াও ৭টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি ও অঙ্গ-সংগঠনের একাধিক নেতা প্রার্থী হয়েছেন। নন্দীগ্রাম উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ দলীয় প্রার্থী হয়ে লড়ছেন রেজাউল আশরাফ জিন্না। তার বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে লড়ছেন একইদলের আজিজার রহমান।
কাহালু উপজেলায় আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে লড়ছেন মোশফেকুর রহমান কাজল ও আল হাসিবুল হাসান সুরুজ। ধুনট উপজেলায় আব্দুল হাই খোকনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে লড়ছেন মাসুদুল হক বাচ্চু।
দুপচাঁচিয়া উপজেলায় মিজানুর রহমান খান সেলিমের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী হয়ে লড়ছেন ফজলুল হক এবং সারিয়াকান্দি উপজেলায় মুনজিল আলী সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে লড়ছেন একইদলের শাজাহান আলী ও আব্দুস সামাদ।
