দীর্ঘ ২৮ বছর পর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে কাঙ্ক্ষিত ডাকসু নির্বাচন। তাই এ নির্বাচনে ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়ে অনেকেই ওয়াকিবহাল নন। বস্তুত তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, গত ৫ মার্চ সর্বশেষ সংশোধিত ভোটার তালিকায় আপনি যদি ভোটার হয়ে থাকেন তাহলে প্রথমেই আপনার হলের নোটিস বোর্ডে আপনার ভোটার নম্বর দেখে নিন। এরপর নিয়ম অনুযায়ী, ভোটারদের হলের বৈধ পরিচয়পত্র দেখিয়ে ভোট দিতে হবে। ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীর যেহেতু এখনো হলের পরিচয়পত্র পায়নি তাই তারা ভর্তির পে-ইন স্লিপ দেখিয়ে ভোট দিতে পারবেন।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী একজন ভোটার ডাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫টি এবং হল সংসদে ১৩টি মিলিয়ে সর্বমোট ৩৮টি ভোট দিতে পারবেন। কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫টি ভোট সব হলের ভোটাররাই দিতে পারবেন এবং হল সংসদের ১৩টি ভোট শুধুমাত্র নিজ হলের প্রার্থীদেরই দিতে হবে।
একজন ভোটারকে সংশ্লিষ্ট হলের রিটার্নিং অফিসার এবং ডাকসুর রিটার্নিং অফিসার স্বাক্ষরিত দুইটি ব্যালট পেপার দেওয়া হবে। তার একটি কেন্দ্রীয় সংসদে ২৫টি ভোট দেওয়ার জন্য এবং অপরটি হল সংসদের ১৩টি ভোট দেওয়ার জন্য।
জাতীয় নির্বাচনের মতো ডাকসু নির্বাচনে ব্যালট পেপারে কোনো প্রতীক বা ছবি থাকবে না। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সরবরাহকৃত ব্যালট পেপারগুলোতে প্রত্যেক প্রার্থীর শুধু নাম উল্লেখ থাকবে। পাশে থাকবে তার ব্যালট নম্বর। ব্যালট পেপারে প্রতিটি পদের জন্য একটি করে পাতা থাকবে। পাতায় ওই পদে মনোনীত সব প্রার্থীর নাম দেওয়া থাকবে। যেমন, সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে প্রার্থীদের নাম একটা পাতায়, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদের প্রার্থীদের নাম থাকবে আরেকটি পাতায়। এভাবে একজন ভোটারকে দেওয়া দুইটি ব্যালটে মোট ৩৮টা পাতা থাকবে। ভোটারকে নিজের পছন্দের প্রার্থীর নামের পাশে ৩৮টা সিল মেরে ভোট দিতে হবে।
