দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে এক আদিবাসী নারীকে দাফনের ২ মাস ২০দিন পর বৃহস্পতিবার আদালতের নির্দেশে লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। দুপুরে বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মনিরুজ্জামান আল মাসউদ লাশ উত্তোলন করে সুরতহাল তৈরি করেন।
এ সময় সঙ্গে ছিলেন- নবাবগঞ্জ থানার ওসি ইসমাইল হোসেন ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক শামসুল আলম।
জানা গেছে, নবাবগঞ্জ উপজেলার পলি আনন্দপুর গ্রামের ময়না হাসদার মেয়ে সুমতী হাসদা (৪০) জন্মগত ভাবে বিকলাঙ্গ ছিলেন। একই গ্রামের রফিকুল ইসলাম গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর গোপনে সুমতীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করেন। কিছুদিন পর সুমতী বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন। অসুস্থ্যতার কারণে বিরামপুর উপজেলার ধানজুড়ি মিশন হাসপাতালে ভর্তি হন। তার অবস্থার অবনতি হলে দিনাজপুর সেন্ট ভিনসেন্ট হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সেখানে অপারেশন কালে চলতি বছরের ২৬ জুলাই সুমতীর মৃত্যু হলে বাবার বাড়ির পাশে তাকে দাফন করা হয়।
এদিকে রফিকুল ইসলাম সুমতীকে হত্যা করা হয়েছে অভিযোগে সুমতীর বাবা ময়না হাসদাসহ ১১ জন আদিবাসীর নামে ১৭ আগস্ট দিনাজপুর প্রথম শ্রেণির জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছেন। বিজ্ঞ আদালতের নির্দেশে মামলাটি গত ১৬ সেপ্টেম্বর বিরামপুর থানায় এজাহার ভুক্ত করা হয়।
