রাজধানীতে নারীসহ ৩ জনের লাশ উদ্ধার

আপডেট : ২১ অক্টোবর ২০১৫, ২১:৪৫
 
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক ঘটনায় নারীসহ তিন জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এরা হলেন—ভাটারায় মো. কাওসার (৩৫), লালবাগে রবিন (২২), কামরাঙ্গীরচরে হোসনা বেগম (৪০)। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার সকাল পর্য়ন্ত এ সব লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠিয়েছে সংশ্লিষ্ট থানার পুলিশ।
 
বুধবার সকাল পৌনে আটটার দিকে ভাটারা থানাধীন জগন্নাথপুর বসুন্ধরা রোডের হোটেল হ্যাভেন টাচের ৬০৫ নম্বর কক্ষ থেকে মো. কাওছার নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ভাটারা থানার এসআই মোজাম্মেল হক বলেন, ‘সকালে হোটেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে খবর পেয়ে ওই ভবনের ছয়তলার ৬০৫ নম্বর কক্ষের গোসলখানা থেকে কাওছারের লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে। লাশের শরীরে কোনো জখমের চিহ্ন নেই। তবে হাত ও পা সামান্য বাঁকানো ছিল। কাওছার চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা এলাকার হাসিবুলের ছেলে।’
 
এর আগে মঙ্গলবার রাতে পুরান ঢাকার লালবাগের নুর ফাতাহ লেনের ২২ নম্বর বাড়ির একটি কক্ষের দরজা ভেঙে রবিন (২২) নামের এক শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিন নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন।
 
প্রতিবেশী শিমুল সাংবাদিকদের বলেন, ‘রবিনের পরিবারের সদস্যদের চিত্কার শুনে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। গিয়ে দেখি তার লাশ ফ্যানের সঙ্গে বাঁধা রশিতে ঝুলছে। তার পরিবারে কোনো পুরুষ লোক না থাকায় আমরা তাকে উদ্ধার করে ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে আসি। কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’
 
এ দিকে, কামরাঙ্গীরচরের দেওলাহাটি চৌরাস্তা এলাকার একটি বাড়ির দ্বিতীয় তলা থেকে মঙ্গলবার রাতে হোসনা বেগম নামের এক নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তার স্বামী ইতালী প্রবাসী কবির হোসেন।
 
হোসনা বেগমের বড় ছেলে শুভ সাংবাদিকদের বলেন, ‘ছোট ভাই সিফাতসহ আমি ও মা একসঙ্গে থাকতাম। আমরা দুই ভাই বাড়িতে ছিলাম না। বাড়ি ফিরে দেখি—ফ্যানের সঙ্গে মার লাশ ঝুলছে। ঢামেক হাসপাতালে নিয়ে এলে কর্তব্যরত চিকিত্সক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’