যুক্তরাষ্ট্রকে রাশিয়ার সতর্কবার্তা

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০১৫, ১৮:০০
 
মধ্যপ্রাচ্যে ‘প্রক্সি যুদ্ধের’ ঝুঁকির বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করেছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র সিরিয়ায় বিশেষ বাহিনী পাঠানোর ঘোষণা দেয়ার পর রাশিয়ার পক্ষ থেকে ওই সতর্কবার্তা দেয়া হলো। এ দিকে কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে ব্যর্থ হলেও সিরিয়া যুদ্ধ বন্ধে ভিয়েনায় বৈঠকরত পরাশক্তিগুলো নতুন পর্বের আলোচনায় বসতে যথেষ্ট ‘সাধারণ ভিত্তি’ খুঁজে পেয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। খবর আলজাজিরা, বিবিসি ও রয়টার্সের।
 
অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি ও সিরিয়ায় নিযুক্ত জাতিসংঘের দূত স্টেফান দে মিস্তোরার সঙ্গে বৈঠকের পর রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র একতরফা সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। সিরিয়ায় মার্কিন সেনা পাঠানো হলে তা ওই অঞ্চলে প্রক্সি যুদ্ধের পরিস্থিতি সৃষ্টির ঝুঁকি তৈরি করবে।
 
ল্যাভরভ বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে আশ্বস্ত যে, তথাকথিত প্রক্সি যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র কিংবা রাশিয়া যেতে চায় না। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে দুই দেশের সেনা পর্যায়ে সহযোগিতা বাড়ানো আরো বেশি যুক্তিযুক্ত।’
 
ল্যাভরভের বক্তব্যের পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশ কার্টার বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মূল ভূমিকা এবং কৌশল স্থানীয় শক্তিগুলোকে (আইএস-বিরোধী) সাহায্য করা। এ বিষয়ে কোনো প্রশ্ন থাকতে পারে না।’
 
এর আগে জঙ্গিগোষ্ঠী ইসলামিক স্টেটের (আইএস) বিরুদ্ধে যুদ্ধরত বিদ্রোহীদের সাহায্য করতে সিরিয়ায় ‘৫০ জনের কম’ সেনা পাঠানোর ঘোষণা দেন যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা। এমনটা সত্যি হলে সিরিয়ার মাটিতে প্রথমবারের মতো তত্পরতা শুরু হবে যুক্তরাষ্ট্রের সেনাদের।
 
হোয়াইট হাউজের এক মুখপাত্র আইএসের বিরুদ্ধে কুর্দি বিদ্রোহীদের লড়াইয়ের প্রশংসা করে বলেন, এ ধরনের শক্তিগুলোকে সহায়তার জন্যই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে—যুক্তরাষ্ট্রের ওই বিশেষ বাহিনীর সদস্যদের সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে পাঠাবে।