৩১ অক্টোবর জাগৃতি প্রকাশনীর স্বত্বাধিকারী ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা এবং অপর আরেকটি প্রকাশনী সংস্থা ‘শুদ্ধস্বর’ এর কর্ণধার আহমেদুর রশীদ চৌধুরী টুটুলসহ তিন জনকে কুপিয়ে আহত করা হয়েছে। এ ঘটনায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গভীর উদ্বেগ ও শোক প্রকাশ করে ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন।
গতকাল শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন বলেন, মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা দিতে এ সরকার সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে। দেশে আইনের শাসনের অনুপস্থিতিতে-সমগ্র জাতি আজ এক শ্বাসরুদ্ধকর অবস্থায় নিপতিত। তিনি দেশের আইন শৃংখলা পরিস্থিতিতে গভীর শঙ্কা প্রকাশ করেন। তিনি এ ধরনের কাপুরোষোচিত হত্যাকাণ্ড ও হামলার ঘটনায় দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন তাঁর বিবৃতিতে নিহত ফয়সাল আরেফিন দীপনের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে বলেন, নিহত ফয়সাল আরেফিন দীপন জিয়া স্মৃতি পাঠাগারের সহ-সভাপতি ছিলেন এবং শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শে উজ্জীবিত একজন নিবেদিত সংগঠক ছিলেন।
অপর এক বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হামলা ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি এই ধরণের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে অবিলম্বে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানান।
জামায়াতে ইসলামীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারী জেনারেল ডা: শফিকুর রহমান এক বিবৃতিতে হত্যাকারী ও কুপিয়ে আহতকারী দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে খুজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করার দাবি জানান। বিবৃতিতে তিনি বলেন,ইতিপূর্বে সংঘটিত সকল হত্যাকান্ডের আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে হত্যাকারীদের খুঁজে বের করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদানের দাবী জানিয়েছি। কিন্তু সরকার আজ পর্যন্ত কোন হত্যাকাণ্ডেরই সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ তদন্ত এবং বিচার করেনি। বরং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দায়ী করে মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে পানি ঘোলা করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা করেছে। যার ফলে প্রকৃত অপরাধিরা আড়ালেই থেকে গিয়েছে।
লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) প্রেসিডেন্ট ড. কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীববিক্রম এক বিবৃতিতে জাগৃতি প্রকাশনীর প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনকে কুপিয়ে হত্যা ও আহমেদুর রশীদ টুটুল, কবি তারেক রহিম এবং রণদীপন বসুকে কুপিয়ে আহত করার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন।
