গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার বলেছেন, ‘এই সরকার জঙ্গিবাদকে দমন করবে বলে ক্ষমতায় এসেছে। যদি দমন না করতে পারে তাহলে রাষ্ট্রও নিরাপদ নয়।’
লেখক-প্রকাশক হত্যা ও হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অভিমুখে কফিন মিছিল এবং মন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে স্মারকলিপি দেয়ার পর তিনি এ কথা বলেন।
ইমরান বলেন, ‘লেখক-প্রকাশক হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের আশ্বাস দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের বলেছেন, এই দেশ জঙ্গিবাদীদের স্থান হবে না।’
গত ৩১ অক্টোবর শাহবাগে জাগৃতি প্রকাশনীর কার্যালয়ে প্রকাশক ফয়সল আরেফিন দীপনকে নৃশংসভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। একই দিনে লালমাটিয়ায় শুদ্ধস্বরের কর্ণধার আহমেদ রশিদ টুটুল, কবি তারেক রহিম ও লেখক রণদীপম বসুকে হত্যার চেষ্টায় কুপিয়ে আহত করা হয়।
এ ঘটনার প্রতিবাদে মঙ্গলবার সারা দেশে আধাবেলা হরতাল করে গণজাগরণ মঞ্চ। এরপর বৃহস্পতিবার মন্ত্রণালয় অভিমুখে এই কফিন মিছিল হয়।
তাদের এ কর্মসূচি ঘিরে সচিবালয় এলাকায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। হাই কোর্ট হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাব পার হওয়ার পর সচিবালয়ের পশ্চিম ফটকে এসে কফিন মিছিল পুলিশের ব্যারিকেডের সামনে পড়ে। পুলিশের বাধায় আর এগোতে না পেরে সেখানেই বসে পড়ে বিক্ষোভ শুরু করেন মঞ্চের কর্মীরা।
পুলিশের ভূমিকার নিন্দা জানিয়ে ইমরান বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি নিয়ে এসেছিলাম। পুলিশ এতে বাধা দিয়েছে। সারা দেশে যখন একের পর এক লেখক-ব্লগার-প্রকাশক-ধর্ম প্রচারক থেকে শুরু করে পুলিশদের ওপরও হামলা করা হচ্ছে, তখন আমরা এই বাধার তীব্র নিন্দা জানাই।’
পরে ইমরানসহ সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল মন্ত্রণালয়ে গিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়ে আসেন। বেলা দুইটার দিকে সচিবালয় থেকে বেরিয়ে ইমরান সাংবাদিকদের বলেন, শুক্রবারের সংহতি সমাবেশ থেকে মঞ্চের পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
