তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে জিম্বাবুয়েকে আবারো হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ। সিরিজের শেষ ম্যাচেও ৬১ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেয়েছে স্বাগতিকরা। ২৭৭ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২১৫ রানেই থেমে যায় সফরকারীরা।
জিম্বাবুয়ের ইনিংসের শুরুতেই উদ্বোধনী জুটিকে ফেরত পাঠান মুস্তাফিজুর রহমান। উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান চামু চিবাবাকে বোল্ড আউট করেন তিনি। তার দ্বিতীয় শিকার হন রেজিস চাকাভা। ব্যক্তিগত ১৭ রানের নাসির হোসেনের হাতে ক্যাচ দেন তিনি। দলীয় ৪৭ রানের মাথায় তৃতীয় উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক চাপে পড়ে সফরকারী। নাসির হোসেনের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে সাজঘরে ফেরেন ক্রেইগ আরভিন।
৪৭ রানে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া জিম্বাবুয়েকে ভালোই পথ দেখাচ্ছিলেন অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরা ও সেন উইলিয়ামস। তবে তাদের সেই পথ চলা খুব বেশী দীর্ঘ হয়নি। ৮০ রানের জুটি ভাঙেন সাব্বির রহমান। তার বলে ব্যক্তিগত ৪৫ রানে বোল্ড আউট হন চিগুম্বুরা। এরপর ওয়ালারকে সঙ্গে নিয়ে রান রেট ৫-এর বেশি রেখে স্কোর এগিয়ে নিয়ে যান উইলিয়ামস। কিন্তু আল আমিনের আক্রমণে ৩২ রানে সাজঘরে ফেরেন ওয়ালার। তারপরের ওভারেই মাশরাফি বলে আউট হয়ে সাজঘরে ফেরেন উইলিয়ামস। এরপর মুস্তাফিজ জাদুতে বিধ্বস্ত হয় সফরকারীরা।
এর আগে বুধবার মিরপুর শেরে-বাংলা স্টেডিয়ামে সিরিজের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা। অধিনায়কের সিদ্ধান্তকে যথার্থ বলে প্রমাণ করেন দুই ওপেনার। ইমরুল কায়েস ও তামিম ইকবালের ১৪৭ রানের উদ্বোধনী জুটিতে ভর করে ২৭৬ রান সংগ্রহ করে বাংলাদেশ। মিডল অর্ডারে ছন্দপতন না হলে স্কোরটা আরো বড় হতে পারত।
প্রথমে ব্যাট করতে নেমে দলীয় ১৪৭ রানে প্রথম উইকেটের পতন হয় স্বাগতিকদের। ব্যক্তিগত ৭৩ রানে সিকান্দার রাজার বলে চাকাভার গ্লাভসে ধরা পড়েন আগের দিনের সফল ব্যাটসম্যান ইমরুল কায়েস। পরে তামিম ইকবালও ব্যক্তিগত ৭৩ রানে আউট হন। এরপর অনেকটাই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় বাংলাদেশ। একে একে সাজঘরে ফেরেন মুশফিকুর রহিম, লিটন দাস, সাব্বির রহমান ও নাসির হোসেন। নাসির হোসেন আউট হলে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২২৬/৬।
এরপর মাহমুদউল্লাহ ও মাশরাফির ৩৭ রানের জুটিতে ভর করে স্বাগতিকদের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২৭৭/৮ রান।
