সম্প্রীতির বন্ধন ছিন্ন করার চেষ্টা চলছে: আকবর আলী খান

আপডেট : ২৮ নভেম্বর ২০১৫, ২২:০৭
 
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা  ড. আকবর আলী খান বলেছেন, উদ্দেশ্যমূলকভাবে একটি গোষ্ঠী মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির বন্ধন ছিন্ন করার চেষ্টা করছে। এ অবস্থায় পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সবার মধ্যে সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষা করা সম্ভব।
 
শনিবার দুপুরে রাজধানীর ডেইলি স্টার ভবনে দ্য হাঙ্গার প্রজেক্ট ও দ্য ডাইভারসিটি সেন্টার আয়োজিত ‘সামাজিক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় করণীয়’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
 
আকবর আলী খান বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশে যে কোনো সময় যে কোনো ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তবে এটাকে আমি কিছু মনে করি না, কোন সমস্যাই স্থায়ী নয়, সমাধান আছে। এখানে শান্তিপূর্ণভাবে একে অপরের নির্ভরশীলতা  তৈরি করতে হবে। সমস্যা সমাধানে আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন করতে হবে।’
 
তিনি আরো বলেন, রাজনৈতিক দলের মধ্যে সমালোচনা থাকবে, তবে সেটা যেন গালাগালি না হয়। গালাগালি বন্ধ করে একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে কথা বললে রাজনৈতিক উত্তাপ কমে যাবে। সামাজিক পুঁজি গঠন না করতে পারলে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক উন্নয়ন ব্যাহত হবে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এ সঙ্কট থেকে উত্তরণ সম্ভব।
 
কলামিস্ট  সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, তুলনামূলকভাবে বাংলাদেশে বিশ্বের  যে দেশের চেয়ে শান্তি ও স্থিতিশীল পরিস্থিতি বিরাজ করছে। কিন্তু বর্তমানে একটা অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। যতোই উস্কানি আসুক, আমাদের ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সম্প্রীতির মধ্যে এগিয়ে যেতে হবে।
 
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউটর রানা দাশ গুপ্ত বলেন, ‘আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে রক্ষা করতে রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক উন্নয়নের দায়িত্ব আমাদের।
 
হাঙ্গার প্রজেক্টের গ্লোবাল ভাইস প্রেসিডেন্ট ও কান্ট্রি ডিরেক্টর ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, আমাদের সমাজে বিভিন্ন গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে। বিভিন্ন সময় তাদের মধ্যে দ্বন্দ্ব হয়। তবে এ দ্বন্দ্বকে কাজে লাগিয়ে একটি গোষ্ঠী সমাজে সহিংসতা সৃষ্টি করছে। কীভাবে শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করা যায় এটা আমাদের ভাবতে হবে।
 
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন মানবাধিকার কর্মী ফরিদা আক্তার, হামিদা হোসেন, আইনজীবী জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, ইয়াং গ্লোবাল লিডার লুফে সিদ্দিকী প্রমুখ। -ফোকাস বাংলা