আখেরি মোনাজাত দিয়ে শনিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিন দিনব্যাপী বিশ্ব ইজতেমা (একাংশ) সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার বাদ আসর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার নাটাই দক্ষিণ ইউনিয়নের শালগাঁও-কালীসীমা চৌদ্দ মৌজা মাঠে আম বয়ানের মাধ্যমে এই ইজতেমা শুরু হয়।
আখেরি মোনাজাতকে কেন্দ্র করে শনিবার ফজরের নামাজের পর থেকেই জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত মুসল্লিদের ঢল নামে। ভিড়কে নিয়ন্ত্রণ করতে আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হিমশিম খেতে হয়। শহরের বাইপাস এলাকার মধ্যপাড়া বাসস্ট্যান্ড ও দক্ষিণ পৈরতলী বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে সকল প্রকার যান চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। পরে ওই এলাকা থেকে মুসল্লিরা হেঁটে চার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে ইজতেমা মাঠে পৌঁছে। ইজতেমা মাঠে জায়গা না পেয়ে বিভিন্ন সড়ক, ধান ক্ষেত, বাড়ির উঠান-ছাদে অবস্থান নেন মুসল্লিরা। নদীপথে আসা মুসল্লিরা মাঠে জায়গা না পেয়ে ফের নৌকায় অবস্থান নিয়ে মোনাজাতে অংশ নেন।
শনিবার সকালে আমবয়ানের পর দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে ঢাকার কাকরাইল মসজিদের প্রধান মুরুব্বি ও তাবলীগ জামায়াতের বাংলাদেশের জিম্মাদার মাওলানা জোবায়ের আহমেদ দেশ, জাতির ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি কামনা করে আখেরি মোনাজাত করেন। বাদ জোহর ইজতেমা মাঠ থেকে ১০০টি তাবলীগ জামায়াতের দল দেশের বিভিন্ন জেলায় দাওয়াতের উদ্দেশ্যে বের হয়। আখেরি মোনাজাতে প্রায় ৩ লক্ষাধিক মানুষ অংশ নেন।
