মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োকেমিস্ট্রি অ্যান্ড মলিকুলার বায়োলজি বিভাগের এক ছাত্রকে র্যাগিংয়ের নামে ডেকে নিয়ে পিটিয়ে হাত ভেঙে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের এক নেতা। পরে তাকে ‘শিবির’ বলে আখ্যা দেওয়া হয়। অথচ ওই ছাত্র এক মুক্তিযোদ্ধার নাতি। এ ঘটনার প্রতিবাদে গতকাল রবিবার ওই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে বিক্ষোভ করে দোষীদের আজীবন বহিষ্কার দাবি করেছেন।
শিক্ষার্থীরা জানান, ওই বিভাগের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিমকে র্যাগিংয়ের নামে শুক্রবার রাতে জননেতা আব্দুল মান্নান হলের তিন তলায় ডেকে নিয়ে পিটিয়ে ডান হাত ভেঙে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সায়েম শিকদার ও তার সহযোগীরা। তারা একই বিভাগের ৪র্থ বর্ষের ২য় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। পরে তারা ফাহিমকে ‘শিবির’ বলে আখ্যা দেয়। একই সঙ্গে শুভ ও রানা নামে আরো দুই শিক্ষার্থীকে মারপিট করা হয়। অথচ ফাহিম নরসিংদী সদরের করিমপুরের মুক্তিযোদ্ধা মো. ফজর আলীর নাতি।
এ প্রসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। নির্যাতিত ও নির্যাতক দুই পক্ষকে নিয়ে সভা করা হচ্ছে। সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাদের বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। এ ব্যাপারে অভিযুক্ত সায়েম সিকদারের সঙ্গে মোবাইলে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন ধরেননি।
