যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিদের সঙ্গে ঐক্য নয় : জয়

আপডেট : ১১ ডিসেম্বর ২০১৫, ২০:১৫

 

যুদ্ধাপরাধী ও জঙ্গিদের আশ্রয়দাতার সঙ্গে আওয়ামী লীগের কখনোই ঐক্য হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়।

 

তিনি অভিযোগ করেন, সুশীল সমাজের ঐক্যের আহ্বান পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় যাওয়ার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়। এ জন্য স্বাধীনতার পক্ষের শক্তিকে ক্ষমতায় রাখার আহ্বান জানান তিনি।

 

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ‘জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি কথা বলেন। সভাটির আয়োজন করে সুচিন্তা বাংলাদেশ।

 

প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা বলেন, একাত্তরের অপরাধের জন্য পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমা না চাওয়া পর্যন্ত দাবি অব্যাহত রাখতে হবে। যে সব মাদ্রাসায় জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় না এবং জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয় না সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

 

তিনি দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, আসুন ঐক্যবদ্ধ হই।  দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধ হই। উন্নয়নের জন্য ঐক্যবদ্ধ হই, কাজ করি। জাতীয় পতাকা, জাতীয় সংগীত আর জাতীয়  স্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাই।

 

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, ‘শুধু তাদের বাদ দেবো যারা রাজাকার, আল-বদর, আল-শামস ও যুদ্ধাপরাধী। সেই সঙ্গে সন্ত্রাসী-জঙ্গিরাও। তাদের আমি চাই না। আর যারা যুদ্ধাপারাধীদের ফিরিয়ে এনে রাষ্ট্রীয় পতাকা দিয়েছেন, জঙ্গিদের আশ্রয় দেন, প্রশ্রয় দেন তাদের আমি চাই না।’

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীদের সঙ্গে  কোনো আপোস নয়। যুদ্ধাপারাধীদের বিচার নিয়ে কোনো আপোস হবে না। আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনা বাকি যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির রায় কার্যকর করবেনই। পৃথিবীর  কোনো শক্তি নেই সেটা রুখে দেবে।

 

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, সাকা-মুজাহিদ পাকিস্তানের এজেন্ট ছিলেন, এটা পাকিস্তান প্রমাণ করে দিয়েছে। একাত্তরে মানুষ হত্যার জন্য পাকিস্তানের ক্ষমা চাওয়া উচিত।

 

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সুচিন্তা বাংলাদেশের  চেয়ারম্যন মোহাম্মদ এ আরাফাত। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ, ফেরদৌসি প্রিয়ভাষিণী, শহীদ জায়া শ্যামলী নাসরিন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধকালীন ক্রিকেটার রকিবুল ইসলাম প্রমুখ। ফোকাস বাংলা।