জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে সম্পর্ক রাখে না ভারত। এই দলটি সাম্প্রদায়িক। নির্বাচন কমিশন দলটিকে স্বীকৃতি দেয় না। জামায়াত বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বিরোধিতাকারী দল। বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতা করেছে তারা। অথচ মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে সহায়তা করেছে ভারত। গতকাল মঙ্গলবার ভারতীয় হাইকমিশনের একটি ঊর্ধ্বতন সূত্র এ কথা জানান। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টি, বিকল্পধারা, ওয়ার্কার্স পার্টি, গণফোরাম, জাসদসহ সব দলের সঙ্গেই ভারতের যোগাযোগ রয়েছে, কিন্তু জামায়াতের সঙ্গে নেই। জামায়াতের গঠনতন্ত্রও বাংলাদেশ-বিরোধী। মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদ ও ভারতীয় সেনাদের রক্ত ঝরেছে।
সূত্রটি আরো জানায়, বাংলাদেশে স্থিতিশীল ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বাংলাদেশে বজায় থাকলে তা ভারতের জন্যও মঙ্গল। আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশের জন্য ভারতের কোনো বার্তা নেই। গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে আমরা সবদলের সঙ্গেই যোগাযোগ রেখে চলি। বাংলাদেশে সরকারের ধারাবাহিকতা থাকবে নাকি পরিবর্তন হবে তা জনগণেরই প্রত্যাশা অনুযায়ী হবে।
সূত্রটি আরো জানায়, বিগত সাড়ে তিন বছরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৯২টি চুক্তি সই হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, পারমাণবিক ক্ষেত্রে এসব চুক্তি হয়। দুদেশের সম্পর্ক এখন অংশীদারিত্বে মাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এটা সম্ভব হয়েছে ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দেয়।
