কানাডায় মহান বিজয় দিবস উদযাপন

আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০১৫, ০৩:১২

এবারের বিজয় দিবসের মাত্রা ভিন্ন! কারণ, ৪৪ বছর পর এ বছর যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করে শাস্তি দিয়ে দেশ ও জাতী কলঙ্কমুক্ত হয়েছে। কানাডার বিভিন্ন শহরে মহান বিজয় দিবস উদযাপন কালে বক্তারা একথা বলেন।

 
গত শনিবার সন্ধ্যায় টরন্টোর ড্যানফোর্থস্থ মিজান ফার্নিচার কমপ্লেক্স অডিটোরিয়ামে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে মুক্তিযোদ্ধা সংহতি পরিষদ কানাডা ‘বিজয়ের পুনর্মিলনী’ শীর্ষক আলোচনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এডভোকেট নাজমা কায়সারের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও কলামিস্ট ড. মোজাম্মেল খান ও শিক্ষাবিদ ড. আবদুল আওয়াল যথাক্রমে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ।
 
অনুষ্ঠানের শুরুতেই টরন্টো’র খ্যাতিমান শিল্পীরা সমবেত কন্ঠে জাতীয় সঙ্গীত ও দু’টি দেশাত্মবোধক গান পরিবেশন করেন। আবুল বাশারের সঞ্চালনায় শুরু হয় বিজয় দিবসের আলোচনা অনুষ্ঠান । ’৭১ এর বিজয়ের বীরগাঁথা নিয়ে বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা সাইফুল আলম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা আজিজুল মালিক প্রমুখ।
 
মন্ট্রিয়েলের ৬৭৬৭ কোট দ্য নেইজ মিলনায়তনে বাংলাদেশি সিভিল সোসাইটি সংগঠন ভয়েস ফর অ্যাকাউন্ট্যাবিলিটি অ্যান্ড গুড গভর্নেন্সের (ভিএজি-বি) উদ্যোগে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের আহ্বায়ক শাহ মোস্তাইন বিল্লাহ।
 
বক্তারা বলেন, একাত্তরের গৌরবদীপ্ত বিজয় ছিল দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সংগ্রামের অনিবার্য পরিণতি। এই সংগ্রামের পথ প্রদর্শক ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি সাম্প্রদায়িক রাজনীতি ও প্রাসাদ ষড়যন্ত্রের বিপরীতে জাতির মাঝে অসাম্প্রদায়িক চেতনা জাগিয়ে তুলেছেন, স্বাধীনতার পথ দেখিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু শিখিয়েছেন সর্বাগ্রে প্রয়োজন অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে নিজের মাঝে লালন করা।
 

অপর দিকে, অটোয়াস্থ বাংলাদেশ হাই কমিশন এক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে আগামী ১৯ ডিসেম্বর শনিবার। আলোচনা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন কানাডায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান। অটোয়ার শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ও দেশাত্মবোধক গান, নৃত্য ও কবিতার সমাবেশ থাকবে সাংস্কৃতিক আয়োজনে।