ভাণ্ডারিয়ায় পানি শোধনাগারসহ চার প্রকল্পের উদ্বোধন

আপডেট : ১১ মার্চ ২০১৯, ২২:৫৩

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিশ্বে একটি রোল মডেল আখ্যায়িত করে আগামীতেও এই সহযোগিতার সম্পর্ক অব্যাহত থাকবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই সব বহুমুখী এবং বহুমাত্রিক সহযোগিতার ফলে আমাদের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিশ্ববাসীর কাছে সু-প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের দৃষ্টান্তরূপে পরিগণিত হচ্ছে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, ভবিষ্যতেও এ সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে। গতকাল সোমবার দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে বাংলাদেশের চারটি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধনকালে প্রদত্ত ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একথা বলেন। অন্যদিকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নতি ভারতের জন্য সব সময়ই আনন্দের বিষয় এবং আমাদের জন্য প্রেরণারও উত্স। আগামীতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো অনেক উচ্চতায় পৌঁছবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

উদ্বোধন করা প্রকল্পগুলোর মধ্যে রয়েছে ভারত থেকে দোতলা বাস, একতলা এসি ও নন-এসি বাস এবং ট্রাক আমদানি, ভারতীয় আর্থিক অনুদানে পাঁচ জেলায় (জামালপুর, শেরপুর, হবিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, ভারতীয় অনুদানে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়ায় ১১টি পানি শোধনাগার প্লান্ট স্থাপন এবং সার্কভুক্ত দেশসমূহে ভারতের ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্ক (এনকেএন) সম্প্রসারণের আওতায় বাংলাদেশে উক্ত নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নয়াদিল্লিতে তাঁর কার্যালয় থেকে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নেন। ভারত ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী একত্রে সুইচ টিপে প্রকল্পের ফলক উন্মোচন করেন। পরে ৪টি প্রকল্পের ওপরই অনুষ্ঠানে ভিডিও চিত্র প্রদর্শিত হয়। বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন এবং ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন।

শেখ হাসিনা তাঁর ভাষণে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ উচ্ছেদে তাঁর সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির উল্লেখ করে বলেন, বাংলাদেশ সব ধরনের সন্ত্রাসবাদের প্রতি ‘শূন্য সহনশীলতা’র নীতি পোষণ করে এবং কোন সন্ত্রাসবাদী সংগঠনকে কখনই বাংলাদেশের মাটিতে আশ্রয় দেওয়া হবে না। দ্বিপাক্ষিক, আঞ্চলিক এবং বহুপাক্ষিক সহযোগিতার মাধ্যমে আমাদের এ অঞ্চল এবং এর বাইরে সন্ত্রাসবাদ দূর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। প্রধানমন্ত্রী এ সময় গত মাসে কাশ্মিরের পুলওয়ামায় সন্ত্রাসী হামলার নিন্দা করে শোক সন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, এলওসি এর আওতায় ৬০০ বাস (৩০০ দোতলা বাস, ২০০ একতলা এসি বাস এবং ১০০ একতলা নন-এসি বাস) এবং ৫০০ ট্রাক (৩৫০টি ১৬-টন ট্রাক এবং ১৫০টি ১০-টন ট্রাক) বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্পোরেশনের বহরে যুক্ত হতে যাচ্ছে। এতে যাত্রী সাধারণের দুর্ভোগ কিছুটা লাঘব হবে এবং আমাদের মহাসড়কগুলোর যানজট খানিকটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসবে।

শেখ হাসিনা বাংলাদেশের পাঁচ জেলায় ৩৬টি কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ভান্ডারিয়ায় ১১টি পানি শোধনাগার প্লান্ট ভারতীয় অনুদানে নির্মাণ করায় ভারতীয় কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বাংলাদেশে ভারতের ন্যাশনাল নলেজ নেটওয়ার্ক (এনকেএন) এর সম্প্রসারণকেও সাধুবাদ জানান।

বাংলাদেশের উন্নতি ভারতের জন্য আনন্দের বিষয়:নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের ভূয়শী প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের উন্নতি ভারতের জন্য সব সময়ই আনন্দের বিষয় এবং আমাদের জন্য প্রেরণারও উত্স। ভারত-বাংলাদেশ সহযোগিতার প্রসঙ্গ টেনে মোদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়নের জন্য বিশাল লক্ষ্য স্থির করেছেন। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে গড়ে তোলা এবং ২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ হিসেবে গড়ে তোলায় তাঁর রূপকল্পকে বাস্তব রূপ দিতে সহায়তা করা আমাদের জন্য গর্বের বিষয়। এক সাথে মিলে বিগত ৫ বছরে আমরা ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের সোনালি অধ্যায়ের জন্য কাজ করতে পারাকে আমি আমার জন্য অত্যন্ত সৌভাগ্যজনক বলে মনে করছি। মোদি বলেন, আমার পুরো বিশ্বাস রয়েছে বিগত ৫ বছর আমাদের জন্য যতটা গৌরবজনক ছিল তার চাইতে আগামী ৫ বছরে আমাদের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এর থেকেও অনেক উচ্চতায় পৌঁছবে। তিনি এ সময় ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর জন্মবার্ষিকী এবং ২৬ মার্চ ৪৮তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশের জনগণকে শুভেচ্ছা জানিয়ে এর মধ্যেই দু’দেশের জনগণ হিন্দুদের পবিত্র উত্সব হোলি উদযাপন করবে উল্লেখ করে দু’দেশের জনগণকেই শুভেচ্ছা জানান।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম এবং ড. মশিউর রহমান, এলজিআরডি এবং সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য, স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান, ইউজিসি’র চেয়ারম্যান অধ্যাপক আব্দুল মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক মো. আবুল কালাম আজাদ, পররাষ্ট্র সচিব শহীদুল হক, প্রেস সচিব ইহসানুল করিম এবং ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনার রিভা গাঙ্গুলী দাস এ সময় গণভবনে উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশ থেকে ভারতে সফররত সংসদ সদস্যদের প্রতিনিধি দলের সদস্যরা এ সময় নয়া দিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী পরে কমলাপুর বিআরটিসি’র প্রধান কার্যালয়, ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের কার্যালয়, পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া এবং জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত বিভিন্ন শ্রেণি পেশার জনগণের সঙ্গে মত বিনিময় করেন।

ভান্ডারিয়ায় ১১টি পানি শোধনাগার প্লান্ট উদ্বোধন

পিরোজপুর অফিস ও ভান্ডারিয়া সংবাদদাতা জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে পিরোজপুর জেলার ভান্ডারিয়া পৌরসভা এলাকায় ১১টি পানি শোধনাগার প্লান্ট উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ভান্ডারিয়া সরকারি কলেজ মাঠে স্থাপিত স্ক্রিনে শত শত লোক প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় সাবেক মন্ত্রী ও পিরোজপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেনের সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরাসরি কথা বলেন।

ভারত সরকারের অনুদানে ভান্ডারিয়া পৌর এলাকায় সুপেয় পানি সরবরাহের জন্য ১১ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয় এই প্লান্টগুলি স্থাপন করা হয়েছে। একটি প্লান্টে ঘণ্টায় পাঁচ হাজার লিটার বিশুদ্ধ পানি শোধনাগার থেকে সরবরাহ করা সম্ভব হবে। প্রতিটি পানির প্লান্টে একটি ভূগর্ভস্থ পানির ট্যাঙ্ক আছে যার ধারণ ক্ষমতা ৪৮ হাজার লিটার পানি। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় নিম্ন আয়ের মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে থাকেন। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের জেলা পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া পৌর এলাকায় পানিতে লবণাক্ততা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। এ কারণে এ অঞ্চলের মানুষ প্রায়ই অস্বাস্থ্যকর উত্স থেকে খাবার এবং রান্নার পানি সংগ্রহ করে থাকেন। ভান্ডারিয়া পৌরবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে ২০১৭ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর ভারতীয় হাইকমিশন এবং ভান্ডারিয়া পৌরসভার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের মধ্যদিয়ে ভান্ডারিয়া পৌর এলাকায় পানি শোধনাগার স্থাপনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। গত বছরের অক্টোবরের ২৩ তারিখ ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রী সুষমা স্বরাজ আরও কয়েকটি প্রকল্পের সাথে এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। তত্কালীন পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং ভারতীয় হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধণ শ্রিংলা ৩ ডিসেম্বর ভান্ডারিয়ায় পানি শোধনাগারের ভৌত ও অন্যান্য কাজের উদ্বোধন করেন।

গতকাল বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রীদ্বয় প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভান্ডারিয়ায় আরও উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আমিনুল ইসলাম খান, পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মো. সালাম কবির, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মহিউদ্দিন মহারাজ, ভান্ডারিয়ার পৌর প্রশাসক ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাজমুল আলম, ভান্ডারিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা আক্তার প্রমুখ। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল হাকিম হাওলাদার, ভান্ডারিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফায়জুর রশীদ খসরু, উপজেলা জাতীয় পার্টি-জেপি’র আহ্বায়ক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল হক মনি জোমাদ্দার, জেপি’র সদস্য সচিব ও ধাওয়া ইউপি চেয়ারম্যান সিদ্দিকুর রহমান টুলু, পৌর কাউন্সিলর ও জেপি নেতা গোলাম সরওয়ার জোমাদ্দারসহ পৌর কাউন্সিলর ও পৌর সহায়তা কমিটির সদস্য এবং ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে ভান্ডারিয়া উপজেলার আরো ছয়টি ইউনিয়নে অনুরূপ পানি শোধনাগার প্লান্ট নির্মিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে সাত কোটি টাকা ব্যয়ে ১৪টি প্রকল্পের নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে।

যত কথা বলার আছে সংসদে এসে

বলুন:ঐক্যফ্রন্টের প্রতি প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা শেখ হাসিনা বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সংসদে এসে কথা বলার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জনগণের ভোটের প্রতি সম্মান দেখিয়ে সংসদে আসুন, যত কথা বলার আছে বলুন, আমরা কোনো বাধা দেব না। গতকাল সোমবার রাতে রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সমাপনী বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী আরো বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত ভোটের রায়ে নৌকার বিজয় হয়েছে। বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট জঙ্গি-সন্ত্রাস-মাদক ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই বেছে নিয়েছে দেশের জনগণ। জনগণ আর জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস-মাদক-অগ্নিসন্ত্রাস আর দেখতে চায় না, নির্বাচনে তাই প্রমাণিত হয়েছে। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী। আলোচনা শেষে ধন্যবাদ প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতক্রমে গৃহীত হয়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুর্নীতি করতে আসিনি, জনগণের সেবা করতে এসেছি। জনগণের কাছে যে ওয়াদা দিয়েছি, তা রক্ষা করাই আমাদের কাজ। দুর্নীতি অনেক কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। চেষ্টা করে যাচ্ছি দুর্নীতি দূর করে উন্নয়ন করতে। দুর্নীতি যথেষ্ট কমাতে পেরেছি বলেই এত উন্নয়ন-সমৃদ্ধি দৃশ্যমান হয়েছে।

বিরোধী দলের বক্তব্যের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সৌদি আরবের সঙ্গে কোনো চুক্তি নয়, সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। রাশিয়া, চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভিয়েতনামসহ প্রতিরক্ষা চুক্তি পৃথিবীর অনেক দেশের সঙ্গে আছে। সৌদি আরবের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক করেছি অবকাঠামো নির্মাণ, কারিগরি সহায়তায়, দেশটির স্থল সীমানায় মাইন অপসারণের জন্য। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে বলেন, অন্য কোনো দেশে যুদ্ধ হলে সেখানে আমাদের সেনাবাহিনী সেই যুদ্ধে অংশগ্রহণ করবে না। পবিত্র মক্কা ও মদীনার নিরাপত্তার রক্ষার প্রয়োজন হয়, সেখানে আমাদের সশস্ত্র বাহিনী কাজ করবে। এখনে ভুল বোঝাবুঝির কোনো অবকাশ নেই।