চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০ শিক্ষার্থী বহিষ্কার

আপডেট : ৩১ ডিসেম্বর ২০১৫, ১৮:৩৪
 
মারধর, ভাংচুর ও ছাত্রী লাঞ্চনাসহ শৃঙ্খলা ভঙ্গের নানা অভিযোগে ২০ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।
 
বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আলী আজগর চৌধুরী এক সংবাদ সম্মেলনে তাদের শাস্তির বিষয়ে জানিয়েছেন।
 
তিনি বলেন, গত ১৭ ডিসেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসিপ্লিনারি কমিটির সভায় এই ২০ শিক্ষার্থীকে শাস্তির সুপারিশ করা হয়। এদের মধ্যে ব্যবস্থাপনা বিভাগের মিজানুর রহমান খান ও চারুকলা বিভাগের মোফাজ্জল হায়দারকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয় গত ২ নভেম্বরে ছাত্রলীগের দুইপক্ষের সংঘর্ষের সময় দেশীয় অস্ত্র বহনের দায়ে। পরীক্ষা চলাকালীন শৃঙ্খলাভঙ্গ ও শিক্ষককে নাজেহাল করায় ইংরেজি বিভাগের হাসান মোহাম্মদ রুবেলকে এক বছর, মাস্টারদা সূর্যসেন হলে ভাংচুর ও শিক্ষার্থীর ওপর হামলার দায়ে ফরেস্ট্রি বিভাগের নীরুত পল সরকার ও মেহেদী হাসান শাওনকে ছয়মাস এবং মাসুদ রানাকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়। ছাত্রী লাঞ্চনার অভিযোগে সমাজ বিজ্ঞানের শেহাব উদ্দিনকে ছয়মাস, চারুকলা ইনস্টিটিটিউটের হোস্টেলে মারামারি ও ভাংচুর করায় ওই বিভাগের সুব্রত কুমার মজুমদার, আবীর ইবনে রাকিব ও আবদুল ওয়াহাবকে এক বছর এবং রাফি উল্লাহকে ছয়মাসের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। ভর্তি পরীক্ষার সময় দুই ছাত্রীকে নাজেহাল করায় ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ইরফাতুল আলম টিটু ও দিদারুল ইসলামকে ছয়মাস করে বহিষ্কার করা হয়।
 
ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি (অন্যজনের হয়ে অংশ নেয়া) দেয়ায় মার্কেটিং বিভাগের আজিজুল হাকিম লিটন ও নৃবিজ্ঞানের ইমরান হোসেনকে এক বছর করে, সোহরাওয়ার্দী হলে ভাংচুর ও শিক্ষার্থীকে লাঞ্চিত করায় চারুকলার জোতিষ্ক চাকমা ও আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিটিউটের রিংকু চাকমাকে ছয়মাস করে বহিষ্কার করা হয়।
 
এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে আইইআর বিভাগের নাসির উদ্দিন আহমেদকে সাময়িক বহিষ্কার করে অধিকতর তদন্ত করার নির্দেশ দেয়া হয়। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অ্যাপ্লাইড ফিজিক্স বিভাগের তৈয়বুর রহমানের মাস্টার্সের ছাত্রত্ব বাতিল করা হয়। এছাড়া প্রক্সি পরীক্ষায় সহযোগিতার জন্য ইংরেজি বিভাগের এস এম জাহিদুল আউয়ালকে সাময়িক বহিষ্কার করে অধিকতর তদন্ত শেষে ব্যবস্থা নেয়ার সুপারিশ করা হয়।