জ্বালানির জোগান দিতে এখন এলএনজি আমদানি করা হচ্ছে। যেখানে প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র ও ভোক্তা স্বার্থ উপেক্ষিত। এ জ্বালানি আমদানি বাবদ কুইক রেন্টালের মতো ভবিষ্যতে যে ঘাটতি তৈরি হবে তা ভোক্তারা নিবে না। গতকাল সোমবার গ্যাসের মূল্যহার পুনর্নির্ধারণে আয়োজিত গণশুনানিতে প্রতিক্রিয়া জানান ভোক্তা প্রতিনিধি ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা।
রাজধানীর ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) অডিটোরিয়ামে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) এ শুনানির আয়োজন করে। এতে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান মনোয়ার ইসলাম, সদস্য মো. আব্দুল আজিজ খান, মিজানুর রহমান, রহমান মুরশেদ, মাহমুদউল হক ভুঁইয়া।
শুনানির শুরুতে গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রস্তাবের উপর সূচনা বক্তব্য দেন পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান রুহুল আমিন। পরে প্রস্তাবের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন কোম্পানির মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মো. নজরুল ইসলাম। তারা বলেন, আগামী এপ্রিল থেকে প্রতিদিন ১০০ কোটি ঘনফুট এলএনজি জাতীয় সঞ্চালন গ্রিডে সরবরাহ হলে বছরে ২৪ হাজার ৫৪০ কোটি টাকা ঘাটতি তৈরি হবে। এজন্য গ্যাসের সরবরাহ ব্যয় ৮ টাকা ৬৩ পয়সা থেকে বৃদ্ধি করে ১২ টাকা ১৯ পয়সা নির্ধারণ করা জরুরি।
এসময় জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ প্রকৌশলী ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক শিক্ষক অধ্যাপক ড. নুরুল ইসলাম জ্বালানি খাতের বিভিন্ন তহবিল ব্যবস্থাপনায় অনিয়মের বিষয়ে বলেন, ভোক্তাদের টাকায় আমরা গ্যাস উন্নয়ন তহবিল করেছি। সেই অর্থ অপব্যবহার হচ্ছে। এজন্য বাপেক্সের ওপর আলাদা শুনানি করা দরকার।
ভোক্তা প্রতিনিধিদের পক্ষে কনজুমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’র (ক্যাব) জ্বালানি উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এম শামসুল আলম বলেন, পেট্রোবাংলা গ্যাসের দাম বৃদ্ধির যে প্রস্তাব দিয়েছে তা কোম্পানি আইনের লঙ্ঘন।
