৩০ বছরে পা দিয়েছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব

আপডেট : ১২ মার্চ ২০১৯, ২০:৩৫

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক

 

গতকাল ছিল ১২ মার্চ।  এই দিনটিতে যাত্রা শুরু করেছিল বিশ্বের প্রথম ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ভ্র ওয়াইড ওয়েব (ডাব্লিউ ডাব্লিউ ডাব্লিউ)। গতকাল ছিল ওয়ার্ল্ভ্র ওয়াইড ওয়েব এর ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী।

তিন দশক আগে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী স্যার টিম বার্নার্স-লি যখন ৩৩ বছর বয়সী ছিলেন তখন তিনি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এর উদ্ভাবন করেন। তখন তিনি তথ্যের ব্যবস্থাপনা নামের একটি প্রস্তাবনা পেশ করেছিলেন।

প্রস্তাবনাটিতে হাইপারটেক্সট ডাটাবেজ  সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়েছিল। তিনি ১৯৮৯ সালে প্রোটোকল বা এইচটিপির মাধ্যমে অন্যের সঙ্গে যোগাযোগে প্রথম ইন্টারনেট ওয়েবসাইট আবিষ্কার করেন। সে সময় তিনি ব্রিটিশ ফিজিক্স ল্যাব সার্নের হয়ে কাজ করতেন। প্রস্তাবনায় উল্লিখিত বিষয়টি বার্নার্স-লি অস্পষ্ট কিন্তু সম্ভাবনাময় বিষয় হিসেবে উল্লেখ করেন। বিষয়টি পর্যালোচনা  করে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের কাজের মডেল বিকাশের জন্য সময় দেন।

১৯৯১ সালের ৬ আগস্টে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে ওয়েবসাইটটি চালু করেন তিনি। সেসময় অনানুষ্ঠানিকভাবে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব প্রকল্পটি চালু হয়।

বার্নার্স-লি ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ডেভেলপের জন্য এইচটিএমএল ভাষা ও এইচটিটিপি অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করে। ১৯৯১ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত এটি চলমান রয়েছে। ২০১৯ সালের ১২ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ২ বিলিয়ন ওয়েবসাইট রয়েছে এতে। যাই হোক, সোশ্যাল মিডিয়া, গেমিং, ইমেইল ব্যবহার করা থেকে শুরু করে আমাদের দৈনন্দিন অনেক কাজেই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব ব্যবহার হয়ে থাকে।

এটি বিশ্বে ওয়েবের প্রসারে প্রথম ধাপ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। যদিও ওয়েবসাইটটিতে প্রথম ভিজিটর পেতে অপেক্ষা করতে হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত।

গত ৩০ বছরে কোটি কোটি মানুষের জীবনে বিভিন্ন অবদান রেখেছে ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব। গত সোমবার একটি চিঠিতে বার্নার্স লি ৩০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর উদ্দেশে লিখেছেন যে, ইন্টারনেট উদ্বেগের বিষয়টি বোঝে। এটি ভালোর জন্য একটি শক্তি।

ওয়েবসাইটটিতে কিছু লেখা ও হাইপার লিংক রয়েছে, যা দেখতে পুরোপুরি সাদামাটা। তবে এখনো এটি প্রয়োজনীয় একটি ওয়েবসাইট হিসেবে ব্যবহূত হয়। বার্নার্স লি তার প্রথম ওয়েবসাইটে বিশ্লেষণ করেছেন, কী করে সার্ভার সেটআপ করতে হয় ও অন্যদের শেয়ার করা কনটেন্ট অ্যাকসেস করতে হয়।

তিনি ওয়েব ঠিকানায় ডাবল স্ল্যাস/ড্যাশ ব্যবহার করেছেন তা অপ্রয়োজনীয়। এটা ছাড়াও তিনি ডিজাইন করতে পারতেন এবং সে সময় তার মাথায় এটা ছিল না বলেও বলেছেন লি।

বর্তমানে লি অক্সফোর্ড ও ম্যাসাচুয়েট ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (এমআইটি) বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার সাইন্সের অধ্যাপক।

সূত্র : ফাস্ট পোস্ট ডটকম