বিরোধের জেরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক খালিদ হাসান বিপ্লবের দুই অনুসারীকে পিটিয়েছে সভাপতি মিজানুর রহমান রানার অনুসারীরা।
শনিবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা ফজলুল হক হলের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহতরা হলেন ছাত্রলীগ কর্মী এস এম সাজ্জাদ হোসাইন ও অনিক মাহমুদ বনি। বনিকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন খালিদ হাসান বিপ্লব। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিনোদপুর এলাকায় ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়ক আধাঘণ্টা অবরোধ করে রাখে বনির বন্ধুরা।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, পূর্ব বিরোধের জেরে শনিবার বিকেল ৩টার দিকে শের-ই বাংলার হলের সামনে বিপ্লবের অনুসারী সাজ্জাদের সঙ্গে ছাত্রলীগের সহসভাপতি মেহেদি হাসান (বহিষ্কৃত), সহসভাপতি আতিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (বহিষ্কৃত) মাহবুবুর রহমান পলাশসহ সভাপতি পক্ষের নেতাকর্মীদের কথা কাটাকটি হয়। এক পর্যায়ে সাজ্জাদকে মারধর শুরু করে সভাপতি পক্ষ। এ সময় বাধা দিতে গেলে সাজ্জাদের সঙ্গে থাকা ছাত্রলীগ কর্মী সাকিবুল হাসান বাকীকেও মারধর করেন তারা। সাজ্জাদ ও বাকী সেখান থেকে চলে গেলে সেখানে থাকা বনিকে মারধর করেন তারা।
এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদার বখশ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরর হমান ও শের-ই-বাংলা ফজলুল হক হলে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। অনেক নেতাকর্মীকে দেশিয় অস্ত্র নিয়ে হলগুলোতে মহড়াও দিতেও দেখা গেছে।
সহসভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, ‘আমরা ওকে কোনো ধরনের মারধর করিনি। দলের জুনিয়র ছেলেদের সঙ্গে ওর ঝামেলা হয়েছে। ওরাই মারধর করেছে। বরং আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বনিকে তাড়াতাড়ি মেডিকেলে নিয়ে গিয়েছি।’
সভাপতি মিজানুর রহমান রানা বলেন, কর্মীদের মধ্যে গালাগালির একটি বিষয় নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। পরে বসে আমরা তা ঠিক করে দেব।
