গণজাগরণ মঞ্চের পাকিস্তান হাই কমিশন ঘেরাও কর্মসূচিতে বাধা দিয়েছে পুলিশ। মুক্তিযুদ্ধের সময় গণহত্যার দায় অস্বীকার ও বিনা কারণে এক বাংলাদেশি কূটনীতিককে বহিষ্কারের প্রতিবাদে দূতাবাস ঘেরাও কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল গণজাগরণ মঞ্চ।
বেলা ৩টার দিকে মঞ্চের নেতাকর্মীরা গুলশান ২ নম্বর এলাকায় জড়ো হয়ে পাকিস্তান হাই কমিশনের দিকে রওনা হলে গোল চত্বরের কাছেই পুলিশের বাধার মুখে পড়েন তারা। সেখানেই অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন নেতাকর্মীরা।
পাকিস্তানের হাই কমিশনকে জঙ্গিবাদের আস্তানা আখ্যা দিয়ে ইমরান বলেন, 'যেখানে জঙ্গিবাদীদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রের ব্যবস্থা নেওয়ার কথা, সেখানে জনতা যখন জঙ্গিবাদী আস্তানা ঘেরাও করতে যেতে চায় তখন পুলিশ তাদের বাধা দিচ্ছে।'
মঞ্চের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে গুলশান-২ নম্বর ও আশপাশের এলাকা থেকে ঘেরাও কর্মসূচিতে যোগ দিতে যাওয়া বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ। এদের মধ্যে অন্তত দুইজন গণজাগরণ মঞ্চের কর্মী বলে অভিযোগ করেছেন মঞ্চের মুখপাত্র ইমরান এইচ সরকার।
মানবতাবিরোধী অপরাধী সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী ও আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদের ফাঁসি কার্যকর করায় উদ্বেগ প্রকাশ করে পাকিস্তান সরকার বিবৃতি দেয়ায় দেশটির সঙ্গে সব ধরণের সম্পর্ক ছিন্ন করার দাবি জানিয়ে আসছে গণজাগরণ মঞ্চ।
পাকিস্তান উদ্বেগ প্রকাশ করে বিবৃতি দেয়ায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপড়েন শুরু হয়। পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূতকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানাতে তলব করেছিল পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সেই সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ ওঠায় পাকিস্তান দূতাবাসের এক কর্মকর্তাকে বহিষ্কার করে ঢাকা। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে এক বাংলাদেশি কূটনীতিককে যথাযথ কারণ না দেখিয়েই ফিরিয়ে নেয়ার কথা বলে পাকিস্তান।
