সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার অভাবে দিনদিন রেলের যাত্রী ও পণ্য পরিবহন উভয়ই কমছে। রেলওয়ের উন্নয়নে পৃথক মন্ত্রণালয় গঠন এবং রেল বাজেট বৃদ্ধি পেলেও যাত্রী সাধারণকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দিতে পারছে না রেলওয়ে।
সোমবার রাজধানীতে সাশ্রয়ী ও নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে ‘রেলের ভাড়া: প্রাসঙ্গিক ভাবনা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় বক্তারা এ কথা বলেন। পরিবেশ বাচাঁও আন্দোলন (পবা) ও ওয়ার্ক ফর এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাস্ট যৌথভাবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
বক্তারা বলেন, ২০১২ সালে রেলের ভাড়া বাড়ানো হলেও যাত্রী সেবা এবং আয় বাড়েনি। বর্তমানে বিদেশি সংস্থার পরামর্শে আবারো ভাড়া বৃদ্ধির পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
ওয়ার্ক উও এ বেটার বাংলাদেশ ট্রাষ্ট-এর প্রকল্প কর্মকর্তা মো. আতিকুর রহমান সভায় প্রবন্ধ উপস্থাপনায় বলেন, রাষ্ট্রীয় সেবাখাত হিসেবে রেলের পরিচালন ব্যবস্থা সঠিকভাগে পরিচালনা না করায় যাত্রীসেবা যেমন কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছতে পারছে না। তেমনি রেলের পরিচালনা ব্যয়ও বৃদ্ধি পেয়েছে। তিনি বলেন, রেললাইন সংস্কার, নতুন রেলপথ নির্মাণ ও অবকাঠামো তৈরির প্রকল্প গ্রহণ করা হলেও ট্রেনের সময়ানুবর্তিতার কোনো উন্নয়ন হয়নি।
সভাপতির বক্তব্যে পরিবেশ বাঁচাও আন্দোলন পবা’র চেয়ারম্যান আবু নাসের খান বলেন, ট্রেন প্রতি আয় শুধু যাত্রীর কাছ থেকে পাওয়া ভাড়ার ওপর নির্ভর করে না। ট্রেনের কোচের সংখ্যা, ট্রেনের টার্ন অ্যারাউন্ড এর ওপরও ট্রেন প্রতি আয় নির্ভর করে। তাই ট্রেন পরিচালনায় এই বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করলে ট্রেন প্রতি ব্যয় হ্রাস করে রেলকে স্বনির্ভর প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
