দুই লেন্সের রিয়ার ক্যামেরা থাকবে আইফোন ৭ প্লাসে

আপডেট : ২৯ জানুয়ারি ২০১৬, ১১:৩৪
প্রযুক্তিবিশ্বে আইফোন ৭ নিয়ে তুমুল গুঞ্জন চলছে। ধারণা করা হচ্ছে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে ডিভাইসটির সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেবে অ্যাপল। আইফোন ৭ ও আইফোন ৭ প্লাস –এ দুটি মডেলে বাজারে আসবে ডিভাইসটি। এর মধ্যে আইফোন ৭ প্লাসে একসঙ্গে দুই লেন্সের রিয়ার ক্যামেরা থাকবে। এই ক্যামেরায় ইসরায়েলি প্রতিষ্ঠান লিনেক্স ইমেজিং থেকে পাওয়া নতুন ধরনের ইমেজিং এলগোরিদমও ব্যবহার করা হবে।
 
কেজিআই সিকিউরিটিজ বিশ্লেষক মিং চি কুয়ো এর বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে অ্যাপল ইনসাইডার।
 
সংবাদ মাধ্যমটি জানিয়েছে, আইফোন ৭ প্লাসে থাকবে দুই লেন্সের রিয়ার ক্যামেরা। ছবি তোলার সময় দুটি লেন্সই একসঙ্গে কাজ করবে। এই লেন্স থাকায় রিফোকাসিং করা যাবে সানন্দে, যেটি বর্তমানে শুধু লিট্রো ক্যামেরায় পাওয়া যায়। বাড়তি ক্যামেরা দিয়ে থ্রিডি ভিডিও-ও ধারণ করা যাবে।
 
IMG0
 
এর আগে চলতি মাসের শুরুতে গ্যাজেট এরেনা নামের এক ফোন বিষয়ক ওয়েবসাইট জানায়, আইফোন ৭ ও আইফোন ৭ প্লাসে ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ থাকবে। আইপড টাচের মতো পাতলা হবে ডিভাইস দু’টি। আইফোন ৭ -এ ৪.৭ ইঞ্চি ও আইফোন ৭ প্লাসে ৫.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লে থাকবে।
 
তারও আগে ২০১৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ম্যাকওটাকারা নামের অ্যাপলের পণ্যভিত্তিক জাপানি এক ব্লগ দাবী করা হয়, পরবর্তী আইফোনের দু’টি সংস্করণ এতোটাই পাতলা হবে যে, তাতে ৩.৫ মিলিমিটার আকৃতির হেডফোন জ্যাক স্থাপন করা হবে না। এর পরিবর্তে ব্লুটুথ হেডফোন বা লাইটনিং পোর্ট প্রযুক্তি যোগ করতে পারে অ্যাপল।
 
আইফোন ৭ ও আইফোন ৭ প্লাস নিয়ে ২০১৫ সালের অক্টোবর মাস থেকেই কানাঘুষা শুরু হয়। প্রথম দিকে বলা হয়, পরবর্তী আইফোনের ডিজাইনে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে অ্যাপল। এতে ডিভাইসটির গোলাকার হোম বাটন তুলে দেয়া হতে পারে।
 
ইন্টারনেট নিয়ে কাজ করে বিখ্যাত হওয়া প্রতিষ্ঠান ‘পিপার জাফ্রে’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও গবেষক গিনি মানস্টার এই তথ্য দেন। তিনি জানান, থ্রিডি টাচ সমৃদ্ধ আইফোনের স্ক্রিনে চাপ দিলে বাড়তি কাজ করার জন্য অপশন পাওয়া যায়। সেজন্য গোলাকার হোম বাটন উঠিয়ে দিলেও কোনো সমস্যা হবে না, বরং আকার বৃদ্ধি পাবে।
 
পিসি অ্যাডভাইজর আরও জানিয়েছে, পরবর্তী আইফোনে আই-ট্র্যাকিং সফটওয়্যার থাকবে। এই সফটওয়্যারের ফলে চোখের ইশারায় চলবে ডিভাইস।
 
২০১২ সালের সেপ্টেম্বরের দিকে আই-ট্র্যাকিং সফটওয়্যার সমৃদ্ধ পেটেন্টের অনুমোদনের জন্য আবেদন করে অ্যাপল। সেই আবেদন সম্প্রতি অনুমোদন পায়। এরপরই এই গুঞ্জন উঠে। এ সময় বলা হয়, আই-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি আইফোনের পরবর্তী সংস্করণে ব্যবহার করা হলে ব্যবহারকারী কোনো অ্যাপের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকালে সেটি চালু হয়ে যাবে।