ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সোমবার আশঙ্কা প্রকাশ করলেন সাগর পথে এসে আবার হামলা চালাতে পারে জঙ্গিরা। ২৬/১১-র মুম্বাই হামলার ধাঁচেই। আর এ দিনই পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত বিষয়ে পাক প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শদাতা সারতাজ আজিজ আর এক দফা খুঁচিয়ে রাখলেন কাশ্মির প্রসঙ্গ। রেডিও পাকিস্তানে ঘোষণা করলেন, ‘‘কাশ্মির সমস্যা সমাধান করাটাই ইসলামাবাদের প্রাথমিক লক্ষ্য।’’ — আনন্দবাজার পত্রিকা
নওয়াজ শরিফের সরকার যেন কাশ্মির নিয়ে তাদের দায়বদ্ধতা না ভোলে— সদ্যই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মুম্বাই হামলার অন্যতম চক্রী তথা জইশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা হাফিজ সাঈদ। আর তার পরপরই পাক সরকারের তরফে ওই ঘোষণা। ফলে পাকিস্তানের সঙ্গে বন্ধুত্বের বার্তা বিনিময় ও শান্তি-আলোচনা চালিয়ে গেলেও সীমান্ত পারের সন্ত্রাস নিয়ে ভারতের বিপদ যে মোটেই কমছে না সেটা স্পষ্ট। প্রধানমন্ত্রী মোদী সেই হুঁশিয়ারিই দিলেন বিশাখাপত্তমে, আন্তর্জাতিক নৌমহড়ার অনুষ্ঠানে। তাঁর কথায়, ‘‘সমুদ্রপথে এখনও জঙ্গি হানার আশঙ্কা রয়েছে। অতীতে ভারত যার শিকার হয়েছে। যা আঞ্চলিক ও বিশ্বের শান্তিকে বিঘ্নিত করছে।’’ জলপথে জঙ্গি হানা রোখা এবং সমুদ্রে জলদস্যুদের, বিশেষ করে সোমালি জলদস্যুদের মোকাবিলা— এই দুটোই এখন নৌবাহিনীর কাছে সব থেকে বড় চ্যালেঞ্জ।
