ব্রিটেনের পার্লামেন্টে ব্রেক্সিট ভোটে ফের পরাজয়ের শিকার হলেন প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের সাথে দীর্ঘ দেন-দরবার করে খসড়া চুক্তির প্রতি সমর্থন আদায়ে দ্বিতীয়বারের মতো মঙ্গলবার পার্লামেন্টে পেশ করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেটি ৩৯১-২৪২ ভোটে প্রত্যাখ্যাত হয়েছে। এর আগে জানুয়ারির তৃতীয় সপ্তাহে তার প্রথম প্রয়াস চরম ব্যর্থ হয়েছিল। ইইউ বলেছে, বর্তমান সংকট দূর করার দায়িত্ব ব্রিটেনের। খবর বিবিসি’র
প্রথমবার যে ব্যবধানে প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’র চুক্তিটি প্রত্যাখ্যাত হয়েছিল, তার নজির ব্রিটিশ পার্লামেন্টে নেই। তার নিজের রক্ষণশীল দলেরই ১১৮জন এমপি চুক্তির বিপক্ষে ভোট দিয়েছিলেন। তারপর গত কয়েক সপ্তাহ ইইউ নেতাদের সাথে নতুন দেন-দরবার করে কিছুটা পরিবর্তিত আকারে চুক্তিটি আবার পার্লামেন্টে এনেছিলেন প্রধানমন্ত্রী মে। সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ব্রেক্সিটের পর উত্তর আয়ারল্যান্ড এবং আয়ারল্যান্ড প্রজাতন্ত্রের মধ্যে অবাধে পণ্য এবং মানুষের যাতায়াত অব্যাহত রাখা নিয়ে যে আপত্তি অনেকে করছিলেন, সেখানে ইইউ থেকে তিনি কিছু ছাড় পেয়েছেন। বলা হচ্ছে, এই দুই ভূখণ্ডের মধ্যে অবাধ যাতায়াত হবে সাময়িক।
প্রধানমন্ত্রী,মে বলছেন, এখন এমপিরা আরেকটি ভোট দেবেন যে, কোনো চুক্তি ছাড়াই যুক্তরাজ্যের ইইউ থেকে বেরিয়ে আসা উচিত কিনা তার ওপর। সেটিও না হলে ব্রেক্সিট বিলম্বিত করা উচিত কিনা। থেরেসা মে বলেছেন, তিনি মানুষের ভাষা বুঝতে পারছেন। তবে লেবার পার্টি নেতা জেরেমি করবিন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এখন উচিত সাধারণ নির্বাচন ঘোষণা করা। ইইউ বলেছে, বর্তমান সংকটের জন্য ব্রিটেনকেই দায়িত্ব নিতে হবে। এর সমাধানের দায়িত্বও তাদের।
