রোহিঙ্গা ইস্যু

এনজিওর ছয় মাসে হোটেল বিলই দেড়শ কোটি টাকা

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯, ০০:৩৪

আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির সভাপতি ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক অভিযোগ করেছেন, রোহিঙ্গাদের ক্যাম্পে অনেক এনজিও খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কাজ করছে। গোয়েন্দা রিপোর্টে তা উঠে এসেছে। এই এনজিওগুলোকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপনারা শুনলে অবাক হবেন- গত সেপ্টেম্বর থেকে এখন পর্যন্ত ছয় মাসে (রোহিঙ্গাদের নিয়ে কাজ করা এনজিওগুলো) হোটেল বিল দিয়েছে ১৫০ কোটি টাকার ওপর, ফ্ল্যাট-বাড়ি ভাড়া দিয়েছে আট কোটি টাকারও বেশি।

গতকাল বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে মন্ত্রিসভা কমিটির প্রথম সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান। একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটির এটিই প্রথম সভা। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, আইনমন্ত্রী আনিসুল হকসহ মন্ত্রিসভা কমিটির অন্য সদস্য ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা।

মোজাম্মেল হক বলেন, বিদেশ থেকে যে টাকা আনে সেটা ভুক্তভোগী অর্থাত্ রোহিঙ্গাদের জন্য ২৫ শতাংশও খরচ হয় না। ৭৫ ভাগই খরচ হয় এগুলো দেখাশোনা করার জন্য; ওনাদের (এনজিও কর্মী) জন্য। এটা খুবই দুঃখজনক। এটা আরো খতিয়ে দেখার জন্য আমরা গোয়েন্দা সংস্থাকে বলেছি। অভিযোগের যথার্থতা নিরূপণের জন্য তাদের অনুরোধ করা হয়েছে।

মোজাম্মেল হক আরো বলেন, এ সভায় আমরা প্রথমেই অত্যন্ত সফলভাবে, সুন্দরভাবে নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, নির্বাচন কমিশনকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানিয়েছি। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে খুবই সফল হয়েছি। এবার গুরুত্ব দিচ্ছি মাদক ব্যবহারকারীদের চিহ্নিত করে আরো কীভাবে ধরা যায়। পাশাপাশি নিরাময় কেন্দ্র খুবই অপ্রতুল, সরকারিভাবে সেগুলো কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়। তা আমরা গভীরভাবে বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। সভায় যানজট নিয়ে আলোচনা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পরবর্তী মিটিংয়ে দুই মেয়রকে ডাকব। যৌথভাবে কাজ করার জন্য তাদের ডাকব। অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভালো দাবি করে মোজাম্মেল হক বলেন, সন্ত্রাসী ও জঙ্গিবাদের প্রতি কঠোরভাবে নজরদারির জন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে বলা হয়েছে।