ভারতের নতুন হাইকমিশনার হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা বলেছেন, বাংলাদেশ ও ভারতে তরুণদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। এই তরুণ প্রজন্ম অনেক বেশি সচেতন। তথ্য-জ্ঞানসম্পন্ন তরুণরাই গণতন্ত্রের জায়গায় অন্য কিছু মানবে না। সচেতন তরুণরাই গণতন্ত্রকে টিকিয়ে রাখবে। গতকাল কাওরান বাজারস্থ দৈনিক ইত্তেফাক কার্যালয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে গ্রামের তরুণরাও দ্রুত তথ্য জানতে পারছে। এসব তরুণ সরকারের সেবা প্রত্যাশী। ভারতের তরুণরা বিশ্বাস করে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিরা অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করবেন। ভারতের তরুণদের মধ্যে এই পরিবর্তন এসেছে। বিশ্বের অন্য দেশেও এই পরিবর্তন আসবে। ইত্তেফাকের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক তাসমিমা হোসেনের সভাপতিত্বে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার শ্রিংলা ঢাকা-নয়াদিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের মূল্যায়ন, ভবিষ্যত্ পরিকল্পনা ও সহযোগিতার নানা দিক নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করেন। পানি, সীমান্ত, বাণিজ্য-বিনিয়োগ, নিরাপত্তা, বিদ্যুত্ সহযোগিতা, আঞ্চলিক যোগাযোগ ও উন্নয়ন, ভিসা সহজীকরণসহ সব দিক তার আলোচনায় স্থান পায়। বিশেষ আমন্ত্রণে পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এবং ইত্তেফাকের প্রকাশক ও কার্যনির্বাহী পরিচালক তারিন হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
১৪ জানুয়ারি হাইকমিশনারের দায়িত্ব নিয়ে বাংলাদেশে আসেন হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা। এর আগে তিনি থাইল্যান্ডে ভারতের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। দায়িত্ব গ্রহণের পর বাংলাদেশে আগমনকে তিনি ইতিবাচক উল্লেখ করে বলেন, ‘এদেশে এসে আমি খুশি। ২০১১ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশসহ ভারতের প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক দেখাশোনার দায়িত্বে ছিলাম। ঐ সময়ে বাংলাদেশে প্রায় ১৫ বার এসেছি। এদেশের অনেক কিছুই জানি। তাই এখানে আমি অনেক বেশি স্বস্তিবোধ করছি।’ বাংলাদেশে গতকালই প্রথম কোনো গণমাধ্যমের সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।
মোদীর সফরে নবযুগের সূচনা
ভারতের হাইকমিশনার বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক অতীতের যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন ভাল। গত বছর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফর ছিল মাইলফলক। ওই সফরে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের নতুন যুগের সূচনা হয়। এর মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন অন্যতম। ১৯৭৪ সালে এই সীমান্ত চুক্তি ছিল আংশিক, ২০১৫ সালে তা পূর্ণতা পেয়েছে। একইসঙ্গে আমরা সমুদ্রসীমার বিরোধও নিষ্পত্তি করেছি। আন্তর্জাতিক সালিশী আদালতের মাধ্যমে এর শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়েছে। মাত্র এক বছরের মধ্যে দুই দেশের মধ্যে স্থল ও সমুদ্রসীমার বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়ার উদাহরণ বিশ্বে খুব কম পাওয়া যাবে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানিতে শতভাগ শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে ভারত। দুই দেশের সম্পর্ককে সামনে এগিয়ে নিতে এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিদ্যুত্ সহযোগিতায় ভাল উদাহরণ রয়েছে। ভারত থেকে বাংলাদেশে বিদ্যুত্ আসছে। ভেড়ামারা লাইন দিয়ে ইতিমধ্যে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুত্ আসছে। আমরা এটিকে এক হাজার মেগাওয়াটে উন্নীত করতে চাই। উত্তর-পূর্ব ভারত দিয়ে আরো এক হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুত্ বাংলাদেশে আসবে। বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়নে ভারতের ঋণ ব্যবহূত হচ্ছে। ভারত আগে ১ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিয়েছিল। আরো দুই বিলিয়ন ডলারের ঋণ পাইপ লাইনে রয়েছে।
তিনি বলেন, ‘দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন উচ্চ অবস্থানে রয়েছে। আমাদের এখানে থেমে থাকলে চলবে না। আমাদের এই সম্পর্ক আরো উচ্চতর অবস্থানে নিয়ে যেতে হবে। এক্ষেত্রে দুই দেশের সরকারের পাশাপাশি দুই দেশের মানুষের সহায়তা দরকার।’
বাংলাদেশ ভারতের গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার
হাইকমিশনার শ্রিংলা বলেন, বাংলাদেশ ভারতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেশি ও অংশীদার। দুই দেশের সম্পর্কে যে ধরনের সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব রয়েছে তা শুধু এই অঞ্চলে নয় বিশ্বের খুব কম দেশের মধ্যে আছে। আমাদের দুই দেশের সীমান্তের মতো দীর্ঘ সীমান্ত (৪৬০০ কিলোমিটার) অন্য দুই দেশের মধ্যেও থাকতে পারে। কিন্তু আমরা যা অর্জন করেছি তা অন্যরা কমই পেরেছে। এখন নতুন নতুন ক্ষেত্র ও ইস্যু চিহ্নিত করে সামনে এগোতে হবে।
তিনি বলেন, দুই দেশের সহযোগিতার ক্ষেত্রে পানি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পানি সংক্রান্ত ইস্যুতে আমাদের আলোচনা চলছে। পরিবহন ও বাণিজ্যের জন্য নদী সচল রাখতে আমরা পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি। দুই দেশের সহযোগিতা বাড়াতে জেআরসি ফ্রেমওয়ার্কে নিয়মিত বৈঠক হচ্ছে। গত সপ্তাহে গঙ্গা জয়েন্ট কমিটির বৈঠক হয়েছে বাংলাদেশে।
আঞ্চলিক সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত
ভারতের হাই কমিশনার বলেন, বিবিআইএন (বাংলাদেশ, ভুটান, ভারত ও নেপাল) উদ্যোগ উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতার বিস্তৃত ক্ষেত্র উন্মোচন করেছে। এই সংযোগ জনগণ ও পণ্যের পরিবহন বাড়াতে সহায়তা করবে। বিবিআইএন এর যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ সম্প্রতি সফল বৈঠক করেছে। ইতিমধ্যে মোটরযান চুক্তি চার দেশের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে। উপ-আঞ্চলিক সহযোগিতা দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা-সার্কের মতোই গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ভারত এক্ষেত্রে খুবই ইতিবাচক।
ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ হবে
ভারতীয় ভিসা প্রসঙ্গে হাইকমিশনার বলেন, ২০১৩ সালে আমরা ভিসা পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনেছি। পর্যটন ভিসার বাইরে বিজনেস, মেডিক্যাল, স্টুডেন্টসহ বেশ কয়েকটি ভিসা ক্যাটাগরি করা হয়েছে। গত বছর বিভিন্ন মেয়াদে মাল্টিপল বিজনেস ভিসা দেয়া হয়েছে। স্টুডেন্ট ভিসাও দেয়া হয়েছে প্রায় দুই হাজার। তবে সমস্যা আছে টুরিস্ট ভিসার ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে ‘ডিমান্ড এন্ড সাপ্লাই’ বড় প্রশ্ন। অনেক ক্ষেত্রে আবেদনের সংখ্যা আমাদের সক্ষমতার বাইরে চলে যায়। এক্ষেত্রে আমরা সমন্বিত সমাধান দিতে কাজ করছি। এটা করতে আমাদের কিছুটা সময় লাগবে।
তিনি বলেন, ভিসা প্রক্রিয়ার সমস্যা সম্পর্কে আমরা অবহিত। ঢাকার বাইরে বেশ কিছু ভিসা সেন্টার করা হয়েছে। বেশি বেশি সেন্টার হলে মানুষের লাইনও কমবে। তিনি এক্ষেত্রে আরো বলেন, বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ থেকেই সবচেয়ে বেশি ভিসা ইস্যু করে ভারত। একমাত্র পেট্রাপোল-বেনাপোল স্থল বন্দর দিয়ে গত বছর ১০ লাখ লোক চলাচল করেছে। আমরা আরো ইমিগ্রেশন চেক পয়েন্ট খুলতে চাইছি। এটা হলে ভ্রমণ আরো সহজ হবে। ফুলবাড়ি-বাংলাবান্ধা চেক পয়েন্ট উদ্বোধন হচ্ছে। বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এর উদ্বোধন করবেন। এ সংক্রান্ত সুবিধা বাড়ানো গেলে ভ্রমণ ও ভিসা অনেক সহজ হয়ে যাবে।
সীমান্তে হত্যা দুঃখজনক
সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে হাইকমিশনার শ্রিংলা বলেন, সীমান্তে যেকোনো বাংলাদেশি বা ভারতীয় নাগরিকের মৃত্যু অবশ্যই দুঃখজনক। তবে সীমান্ত হত্যার ঘটনা অনেক কমে এসেছে। গত পাঁচ বছরে এই সংখ্যা ১০ থেকে ২০-এর মধ্যে ছিলো। গত বছরে ১৯ জন নিহত হয়েছে। আমরা বুঝি এটা অনেক বড় সংখ্যা। আমরা এই সংখ্যা সর্বোচ্চ সংখ্যায় কমাতে চাই। এজন্য বিএসএফকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে, প্রাণঘাতী নয় এমন অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, প্রতিটি ঘটনায় বিএসএফের তদন্ত হয়। দেখা যায় বেশির ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার জন্য হত্যার ঘটনা ঘটে। আত্মরক্ষার বিষয়টি আমরা অস্বীকার করতে পারি না। কেননা গত বছর দুই জন বিএসএফ সদস্য নিহত হয় এবং ১০২ জন আহত হয়েছে। তাই দুই পক্ষেরই সীমান্তে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কমিয়ে আনার জন্য আরো কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা রয়েছে। এক্ষেত্রে সীমান্ত সহযোগিতা জোরদার করতে হবে। আমরা নতুন নতুন বর্ডার পয়েন্ট খুলছি। বৈধভাবে যাতায়াতের সুযোগ বাড়লে রাতে অবৈধ চলাচল অবশ্যই কমবে। এ সময় তিনি বলেন, ভারতীয় নাগরিকরাও সীমান্তে মারা যাচ্ছে। যদিও সে সংখ্যা কম।
বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ভারতীয় বিনিয়োগ আকৃষ্ট করবে
বাংলাদেশে ভারতীয় বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে তিনি বলেন, সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন হয়েছে। ওই সম্মেলনে ভারতীয়দের উল্লেখযোগ্য অংশগ্রহণ ছিলো। বর্তমানে বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বেড়ে চলেছে। এয়ারটেল, সিয়েট ইন্ডিয়ার মতো কিছু কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে। হাসপাতাল ও পোশাক খাতে বিনিয়োগ হচ্ছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশে ২০২১ সালে মধ্যম আয়ের ও ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হতে চায়। আমি মনে করি, এই লক্ষ্য অর্জন সম্ভব। এ জন্য বিনিয়োগ প্রয়োজন। আমরা বাংলাদেশে এমনভাবে বিনিয়োগ করতে চাই যাতে উভয়ই পারস্পরিকভাবে লাভবান হতে পারি। তবে বিনিয়োগের জন্য বাংলাদেশ এবং এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ভারতের জন্য খুলনা ও ভেড়ামারায় দুটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রস্তাব করেছে। এই উদ্যোগ ভারতের বেসরকারি বিনিয়োগকে আকৃষ্ট করবে।
রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের মানুষের
বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সম্পর্কে বলতে গিয়ে শ্রিংলা বলেন, ভারত বাংলাদেশকে সমর্থন করে। এখানকার সরকার বা নির্বাচনকে নয়। এদেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থন করে ভারত। সেই আকাঙ্ক্ষাকেই এগিয়ে নিতে আমরা সরকারের সঙ্গে কাজ করছি। বাংলাদেশে কি হচ্ছে বা হবে সেটা এদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সংসদীয় গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রায় একই রকম। ভারতে নির্বাচনের মাধ্যমে এক সরকার পরবর্তী সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করে। ভারতে নির্বাচন কমিশন আছে এখানেও আছে। ব্যালটের মাধ্যমে এই অঞ্চলের মানুষ তাদের গণতান্ত্রিক মত প্রকাশ করে।
তিনি বলেন, প্রতিটি দেশের নিজস্ব ইতিহাস ও ঐতিহ্য রয়েছে। সৌভাগ্যক্রমে ১৯৪৭ সাল থেকে আমাদের গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রয়েছে। স্বাধীনতার পর পরই আমাদের খুবই বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ছিলো। দূরদর্শী নেতৃত্ব বেশি টেকসই হয়। নেতৃত্ব যদি গণতন্ত্রের সুফল জনগণকে দিতে পারে, তবে জনগণ সেই ধারা চলতে দেবে। অন্যথায় ইতিহাস ভিন্ন হতে পারে। বিভিন্ন ঘটনায় অনেক দেশের গণতান্ত্রিক ধারা ব্যাহত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৭০ শতাংশ মানুষের বয়স ৪০ বছরের নিচে। আর ভারতের ৬০ শতাংশ মানুষের বয়স ৩৫ বছরের মধ্যে। ২০২০ সালে ভারতের মানুষের গড় বয়স দাঁড়াবে ২৯ বছরে। সচেতন ও জ্ঞানসম্পন্ন তরুণরাই গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখবে।
সম্পর্ক জোরদারে সাংস্কৃতিক বিনিময়
দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময় প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের শিল্পীরা ভারতে গিয়ে গান গাইছেন, অভিনয় করছেন, ভারতের শিল্পীরা বাংলাদেশে আসছেন। ভারতের টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের অনেকে অংশ নিচ্ছেন। প্রতি বছর বাংলাদেশ থেকে ১০০ তরুণ ভারত সফরে যাচ্ছেন। ভারতের রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত্ করছেন। এই ধারা অব্যাহত আছে। এটা আরো বেশি বেশি হতে হবে। তিনি বলেন, ‘এই তরুণ প্রজন্মই বাংলাদেশের ভবিষ্যত্। তারাই বাংলাদেশকে গড়বে’।
হাইকমিশনারের সঙ্গে প্রথম সচিব (রাজনৈতিক) রাজেশ উইকে, প্রথম সচিব (প্রেস) সিদ্ধার্থ চট্টোপাধ্যায় ও প্রেস অ্যাটাশে রঞ্জন মণ্ডল উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মত বিনিময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন ও উপস্থিত ছিলেন ইত্তেফাকের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক আশিস সৈকত, বার্তা সম্পাদক মলয় পাঁড়ে, যুগ্ম বার্তা সম্পাদক অশোক কুমার সিংহ, ইত্তেফাকের সহকারী সম্পাদক ফাইজুস সালেহীন, মিনার মনসুর, ফাইজুল ইসলাম, সৌরভ জাহাঙ্গীর ও তাপস কুমার দত্ত, বিশেষ প্রতিনিধি ফারাজী আজমল হোসেন, মাঈনুল আলম, জামাল উদ্দীন, সালেহউদ্দিন, শ্যামল সরকার, সাইদুল ইসলাম, জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক শামছুদ্দিন আহমেদ ও নিজস্ব প্রতিবেদক তালেব রানা এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক শান্তনু মজুমদার ও ফাহমিদুল হক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল মামুন।
