অমর একুশে ২০১৬ বইমেলায় আসছে লেখক ও নির্মাতা নাসিম সাহনিকের নতুন দুটি বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী ভিত্তিক উপন্যাস। এর একটি হচ্ছে মিশন ইমোশন এবং অপরটি হচ্ছে ল্যাঙ্গুয়েজ হান্টার। মিশন ইমোশন প্রকাশ করছে অনিন্দ্য প্রকাশ (স্টল নং ২৯৩-২৯৬) আর ল্যাঙ্গুয়েজ হান্টার প্রকাশ করছে তাম্রলিপি( প্যাভিলিওন ২)।
মিশন ইমোশন এর পটভূমি রচিত হয়েছে ঢাকায় অবস্থিত গবেষণা প্রতিষ্ঠান ইমোশন সেন্টারকে কেন্দ্র করে। এই ইমোশন সেন্টারের গুরুত্বপূর্ণ গবেষকেরা যখন অপহরণ হতে থাকে তখন আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা পরিষদের পক্ষ থেকে একটি অপারেশন পরিচালনা করা হয় । এই অপারেশনে এলিয়েন , রোবোট , মিউট্যান্টরাও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িয়ে পড়ে।
IMG0
ল্যাঙ্গুয়েজ হান্টারের কাহিনীতে দেখা যায়, একটি এলিয়েন প্রজাতি দূর নক্ষত্রের গ্রহ থেকে পৃথিবীতে এসে অবস্থান নিয়েছে। সমুদ্রের তলদেশে তারা অদ্ভুত মহাকাশযানে করে চলাফেরা করে। ওদের একটি অন্যতম কাজ হচ্ছে পৃথিবীর বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষদের অপহরণ করা। তারা ভাষা শিকারী হয়েছে বিশেষ একটি উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে। কি তাদের উদ্দেশ্য ? পৃথিবীর আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সগুলোর সাথে তাদের সম্পর্ক কি ? এরকম নানারকম প্রশ্ন আর সাসপেন্স নিয়ে এগিয়ে গিয়েছে এই উপন্যাসের কাহিনী।
নতুন বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী প্রকাশ নিয়ে নাসিম সাহনিক বলেন , ‘ লেখালেখি আমার খুবই প্রিয় একটি বিষয়। সম্প্রতি আমার মুভির জন্য ছয়টি গান লিখলাম। বেশ ভালো লেগেছে গানগুলোর সঙ্গীত আয়োজনের সময় । গান , নাটক , চলচ্চিত্র থেকে আগামী দুই সপ্তাহ বিশ্রাম নেব। এই সময়টাতে আমার পুরো মনোযোগ থাকবে বইমেলায়। বইমেলায় নতুন বই প্রকাশ হলে আমার অদ্ভুত ভালো লাগে।
উল্লেখ্য, বইমেলায় নাসিম সাহনিকের পৃর্বে প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীগুলো যেমন কক্সবাজারের কচ্ছপ ( রাত্রি), সুন্দরবনে ত্রুটি ( ছায়াবিথী), মহাকাশে মহাযান( শুভ্র) , রোবোসাইকোলজিস্ট (অন্বেষা ), জেনেটিক কোড (রোদেলা) প্রভৃতি বইগুলোও পাওয়া যাবে। তরুণ প্রজন্মের সায়েন্স ফিকশন লেখকদের মধ্যে নাসিম সাহনিক তার ভিন্নধর্মী বিষয়বস্তু নিয়ে লেখার কারণে পাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছেন।
