বাংলাদেশে আইসিটি খাতে দক্ষিণ কোরিয়া বিনিয়োগের প্রস্তাব দিয়েছে জানিয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘বাংলাদেশে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনিয়োগ বাড়লে উভয়দেশ উপকৃত হবে এবং বাণিজ্য ব্যবধান কমবে।’
বৃহষ্পতিবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সাথে ঢাকায় নবনিযুক্ত দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত অ্যান সং-ডু সাক্ষাত্ করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব হেদায়েতুল্লাহ আল মামুন উপস্থিত ছিলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র। দু’দেশের বাণিজ্য ব্যবধান কমাতে দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশকে ৪ হাজার ৮০০টি পন্য রফতানিতে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে। বাংলাদেশের মোট রফতানির ৯০ ভাগ এখন শুল্কমুক্ত রফতানি সুবিধা পাচ্ছে। তিনি বলেন, ঢাকা ইপিজেড-এ দক্ষিণ কোরিয়ার অনেক বিনিয়োগ রয়েছে। চট্টগ্রাম কোরিয়ান ইপিজেড (কেইপিজেড)-এ কোরিয়ার ২২টি কারখানায় প্রায় ৫৫ হাজার কর্মী কাজ করছে এবং প্রায় ৪০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার রফতানি হচ্ছে।
তোফায়েল আহমেদ বলেন, দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধি করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। কেইপিজেড-এর জটিলতা দূর হলে বাংলাদেশই বেশি লাভবান হবে। বিভিন্ন লেদার ফ্যাক্টরি এবং স্যামস্যাংসহ দক্ষিণ কোরিয়ার বড় বড় কোম্পানি গুলো বাংলাদেশে বিনিয়োগ করবে।
দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রদূত বলেন, বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ার ঘনিষ্ট ব্যবসায়িক অংশিদার। দক্ষিণ কোরিয়া বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেছে, আগামীতে বিপুল পরিমান বিনিয়োগ করবে। বিশেষ করে আইসটি খাতে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশে আইসিটি মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে বিনিয়োগ বিষয়ে সম্ভাবনা নিয়ে সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এতে বাংলাদেশের ৮০ টি প্রতিষ্ঠান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার ৩০ টি প্রতিষ্ঠান অংশ নিয়েছে।
