দুরবিনে বেভুল

আপডেট : ১৪ মার্চ ২০১৯, ১৯:২৮

কখনো ইচ্ছে হয়, হাইক করে উঠে যাই দিগন্তে

লোহিত পাথরে গড়া সাংগ্রে ডে খিস্ত পাহাড়ের ভেতর মহল,

বাস করি কিছুদিন ওখানকার মাউন্টেন রেঞ্জে আলাভোলা

পর্বতে ট্র্যাক করার লজিস্টিকস্ তো হাজারটা—মন হয় দুর্বল,

ভাবি, নাইবা গেলাম ট্রেইল থাকবে তো আরো কিছুদিন খোলা

বরং পার্কের বেঞ্চে বসে আপাতত দেখি গোধূলির মেঘ রঙিন আভা,

সঙ্গী একজন জুটে গেলে চাইকি খেলা যেতে পারে এক হাত দাবা।

 

যেতে চাই তারপর আদিবাসী না বাহো গোত্রের পল্লিতে এক বিকালে

দেখতে পারলে বেশ হয় তাদের পূজা অর্চনার রীতি-রেওয়াজ,

স্টাডিতে বসে না হয় অবলোকন করি—চিত্রকলার শিরিষ তমালে

জর্জিয়া ও কিফের নিসর্গ পাথরের ল্যান্ডস্কেপে পশু করোটির সাজ।

 

তোমাকে দেখতে চাই সন্ধ্যায়—ককটেল ড্রেসে ছড়াবে রেশমের দ্যুতি

একসাথে যাবো ব্লুজ-এর কনসার্টে—কিন্তু দিতে পারি না যে প্রতিশ্রুতি,

কিনে দিতে চাই স্বর্গীয় পাখির ডানায় পাপড়ি ছড়ানো ফুল

বদলায় মেজাজ—তোমার কথা ভেবে হবে কী,

সাবুজিক গ্রহের ম্লান আলোয় দুরবিনে বরং হওয়া যাক বেভুল।

 

পরিকল্পনা করি, চলে যাবো ক্যানিয়ান ডিশে’র পাথুরে পাড়ে

নদীতীরে আদিবাসীরা বিপুল মেহনতে করছে যবের আবাদ,

দূরত্ব অনেক, ড্রাইভ করা বেহদ জটিল, দায়িত্ব অনেক ঘাড়ে

খেটে-খুঁটে না হয় করি সিলভিয়া প্লাথের একটি কবিতার অনুবাদ।