তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিশ্বের অন্যতম সম্মানজনক ডব্লিউএসআইএস পুরসড়ারের চ্যামিপয়ন তালিকায় স্থান পেয়েছে বাংলাদেশের ৫ উদ্যোগ। বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের বহুমাত্রিক অংশীদারদের প্ল্যাটফর্ম এই দ্য ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস। এবারে সোসাইটির ২০১৯ সালের ফোরামে এই পুরস্কারের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের এক হাজার ১৪০টি সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ বা প্রকল্প আবেদন করেছিল। সেখান হতে ধাপে ধাপে চ্যামিপয়ন তালিকায় উঠে আসে বাংলাদেশের ৫টি উদ্যোগ। তালিকায় ক্যাটাগরি দুই-ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচারে রয়েছে সরকারের ডেভেলপমেন্ট অব আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট বা ইনফো সরকার প্রকল্প। এনাবলিং এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরি ৬ এ আছে বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই-গভর্ন্যান্স ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক। ক্যাটাগরি ৯-ই-লার্নিংয়ে আছে সরকারের শিক্ষক বাতায়ন। ক্যাটাগরি ১২-ই-এনভায়রনমেন্টে আছে ই-ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড রিসাইলেন্স থ্রো কমিউনিটি রেডিও অ্যাট কোস্টাল এরিয়া অব দ্য বে অফ বেঙ্গল বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশন (বিএনএনআরসি) এর প্রকল্প। ক্যাটাগরিতে ১৩-ই-এগরিকালচারে রয়েছে ডিও ডেটা টু কন্ট্রোল লেট ব্লাইট ফাংজাই ডিজিস ইন পটেটো ইন বাংলাদেশ। এটি এমপাওয়ার সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি উদ্যোগ। ১১৪০টি আবেদন পড়লেও প্রথম ধাপেই বাদ হয়ে যায় অনেক দেশ। বাছাইয়ে টেকে ১০৬২ আবেদন। এরপর দ্বিতীয় বাছাই-মূল্যায়নে থাকে ৪৯২ প্রকল্প। এবার সারা বিশ্বের ভোটাভুটির জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া প্রকল্পগুলো। সেখানে ২০ লাখ ভোটে চ্যামিপয়ন তালিকায় জায়গা পায় ৯০টি প্রকল্প। এখান হতে ১৮টি প্রকল্প হবে উইনার। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় ৮ হতে ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ওই ফোরামে পুরস্কৃত করা হবে ৭২টি চ্যামিপয়ন ও ১৮টি উইনার প্রকল্পকে। এবারে এই ফোরামের চেয়ারম্যান ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ডব্লিউএসআইএস ফোরাম যৌথভাবে আয়োজন করে থাকে আইটিইউ, ইউনেস্কো, ইউএনডিপি এবং ইউএনসিটিএডি। এই ফোরাম বিশ্বের সবচেয়ে বড় তথ্যপ্রযুক্তি ভিত্তিক উন্নয়নকেন্দ্রিক কমিউনিটির সম্মিলন। এর মধ্যে দশম বর্ষপূর্তি উদযাপনের মধ্য দিয়ে এবারে এই ফোরাম হচ্ছে। তাই একে বিশেষ তাত্পর্যপূর্ণ বলা হচ্ছে। যার মূল প্রতিপাদ্য হলো, টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি।
