‘আমি এখনো মন্ত্রী হই নাই’

আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১৬, ১৫:০৭
পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল (লোটাস কামাল) এমপি বলেছেন, আমি এখনো মন্ত্রী হই নাই। আমি সেদিন মন্ত্রী হব যেদিন এ দেশের মানুষের দুঃখ থাকবে না এবং হাহাকার থাকবে না। তখন মানুষ দারিদ্র্যমুক্ত, ক্ষুধা মুক্ত এবং বাংলাদেশ হবে বিশ্বের উন্নত দেশের অন্যতম একটি দেশ। তিনি বলেন, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন দেশের পিছিয়ে পড়া মানুষকে এগিয়ে আনার জন্য। জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজ বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তার নেতৃত্বেই বাংলাদেশ ২০৪১ সালে উন্নত দেশে রূপান্তর হবে। সকল ক্ষেত্রেই দেশ এখন এগিয়ে যাচ্ছে। 
 
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক ভিডিও কনফারেন্সিং-এর মাধ্যমে কুমিল্লা মহানগরীর জাঙ্গালিয়া ৫২.২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ কেন্দ্র উদ্বোধন শেষে বৃহস্পতিবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের এসএ বারী সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। 
 
কুমিল্লা জেলা প্রশাসক মো. হাসানুজ্জামান কল্লোলের সভাপতিত্বে ওই অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও জেলার লাকসাম সংসদীয় আসনের এমপি মো. তাজুল ইসলাম, দেবিদ্বার সংসদীয় আসনের এমপি রাজী মোহাম্মদ ফখরুল। এসময় অন্যান্যের মধ্যে ছিলেন সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি জোবেদা খাতুন পারুল, জেলা পুলিশ সুপার মো. শাহ আবিদ হোসেন, কুমিল্লা কর-অঞ্চলের কমিশনার মু. রেজাউল করিম চৌধুরী, কাস্টমস্ এক্সাইজ ও ভ্যাট বিভাগের কমিশনার মো. আনোয়ার হোসাইন, হাইওয়ে পুলিশ সুপার মো. রেজাউল করিম, জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. মুজিবুর রহমান, কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর এএসএম আব্দুল ওহাব, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার সফিউল আহমেদ বাবুল, জাঙ্গালিয়া পাওয়ার প্লান্টের কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন উপজেলা চেয়ারম্যান, আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠন এবং সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দ।
 
মন্ত্রী বলেন, রাজনীতি হচ্ছে মানুষকে ভালবাসা। সকল ভাল কাজের নাম-ই রাজনীতি। আর এ রাজনীতি না করলে বেহেশতে যাওয়া যাবে না। আমাদের কাজ হচ্ছে পরিকল্পিত উন্নয়নে দেশকে এগিয়ে নেয়া। এক্ষেত্রে কুমিল্লাকে বাদ দিয়ে দেশের উন্নয়ন ইম্পসিবল। আমি কুমিল্লাকে আরো আধুনিকায়ন করতে চাই। এ জেলার প্রতিটি উপজেলায় উন্নয়ন প্রকল্প করতে চাই। আমি কুমিল্লার সন্তান হিসেবে এ জেলার উন্নয়নে প্রস্তুত রয়েছি, আমাকে আপনারা চাইলে ব্যবহার করতে পারেন।
 
জাঙ্গালিয়া পাওয়ার প্লান্ট ম্যানেজার রাকেশ চন্দ্র ঘোষ জানান, ২০১৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি ৪২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ একর জমিতে জাঙ্গালিয়ায় ৫২.২ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন প্লান্টটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। ফার্নেস ওয়েল ব্যবহার করে ২০১৪ সালের ২৮ ডিসেম্বর থেকে প্লান্টটি বিদ্যুৎ উৎপাদন করে আসছে। আগামী ১৫ বছর এই প্লান্ট থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে।