হবিগঞ্জে সংঘর্ষে আহত এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনি মারা যান। নিহত যুবক শহরতলীর ছোটবহুলা গ্রামের আতাব আলীর ছেলে আজিজ মিয়া (৩০)।
উক্ত ঘটনার জের ধরে প্রতিপক্ষের বাড়িঘরে আগুন দিয়েছে নিহত যুবকের পক্ষের লোকজন। আগুনে ১৪/১৫ বাড়ি ভষ্মিভূত হয়েছে। খবর পেয়ে হবিগঞ্জ ও শায়েস্তাগঞ্জের দমকল বাহিনী গিয়ে প্রায় ৩ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গ্রামে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ফকির বাড়ি এবং বড় বাড়ির লোকজনের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। এর জের ধরে একাধিকবার উভয় গোষ্ঠীর মাঝে সংঘর্ষ হয়। এসব বিরোধের ধারাবাহিকতায় প্রায় দুই মাস পূর্বে বড় বাড়ির লোকজন ফকির হাটির কুতুব উদ্দিনের কান কেটে নেয়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি (শুক্রবার) বড় বাড়ির আব্দুল আজিজের একটি কান ও একটি হাত কেটে দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন।
আহত আজিজকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার দুপুরে তিনি মারা যান। এ খবর বাড়িতে পৌছলে বড় বাড়ির লোকজন ফকির হাটিতে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর ও লুটপাট চালায়। এ সময় তারা বাড়িঘরে আগুনও ধরিয়ে দেয়। এতে অন্তত ২৫টি বাড়ি ও বনের ঘের পুড়ে যায়। আতংকে ফকির বাড়ির লোকজন পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি নাজিম উদ্দিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে এনেছে। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। গ্রামে পুলিশ মোতায়েন আছে। আগুনে ১৪/১৫টি বাড়ি পুড়ে গেছে। বাড়িগুলো কাঁচা। এতে ক্ষতি হয়েছে অন্তত ১৪/১৫ লাখ টাকা।
