ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেছেন, জলাবদ্ধতা নিরসনে আমি ইতোমধ্যে বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করা শুরু করেছি। আমরা ওয়াসাকে সাথে নিয়ে বর্ষার আগেই জলাবদ্ধতার সমাধান করবো। পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠক করেছি ফুটপাত থেকে সকল প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে যাবে। গতকাল বৃহস্পতিবার গুলশানস্থ নগরভবনে কাউন্সিলরদের সাথে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের পরিচিতি ও মতবিনিময় সভার সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মেয়র বলেন, মশক নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে শুক্রবার (আজ) মশক কর্মীদের উদ্বুদ্ধ করতে তাদের সাথে মহাখালী ডিএনসিসি মার্কেটে তিনি সভা করবেন বলে জানান। আরো মশক নিয়ন্ত্রণের ওষুধ ইতোমধ্যে আনা হয়েছে বলেও তিনি জানান। মেয়র বলেন, ড্রেনে মানুষ ময়লা-আবর্জনা ফেলে-এটা হতে দেওয়া যায় না। প্রতিটি দোকানে ডিএনসিসি নির্ধারিত ডিজাইনের ওয়েস্ট বিন এবং দুটি করে ফুল বা গাছের চারা রাখা বাধ্যতামূলক করা হবে, অন্যথায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করা হবে না। তাছাড়া ছাদ বাগান বা বাসার বেলকনিতে সবুজায়ন করা হলে কর রেয়াত সুবিধা দেওয়া হবে বলে তিনি জানান। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশ্যে তিনি ‘পি এন্ড আর’-পানিশমেন্ট আন্ড রিওয়ার্ডের কথা বলেন। অর্থ্যাত্ ভালোভাবে কাজ করলে পুরস্কার আর তার ব্যত্যয় ঘটলে শাস্তির কথা বলেন।
মেয়র আতিকুল ইসলাম স্বাগত বক্তব্যে মেয়র ও কাউন্সিলরদের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, ‘আমরা একটি সুন্দর, পরিচ্ছন্ন ঢাকা শহর গড়তে এসেছি। আমাদেরকে কাজ করতে হবে। যে দেশে বঙ্গবন্ধুর মতো মহান নেতা জন্মগ্রহণ করেছিলেন সে দেশের রাজধানী অপরিচ্ছন্ন, আবর্জনাপূর্ণ হয়ে থাকতে পারে না’। সভার শুরুতে প্রয়াত মেয়র আনিসুল হক, প্রয়াত প্যানেল মেয়র মোঃ ওসমান গণি এবং প্রয়াত ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল হোসেনের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালনসহ দোয়া করা হয়। সভায় অন্যান্যের মধ্যে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাই, সচিব রবীন্দ্রীশ্রী বড়ুয়া প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
