বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, সচেতনতার মাধ্যমে অনেকাংশেই কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা সম্ভব।তারা বলেন, কিডনি দিবসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে এ রোগের ব্যাপকতা ও ভয়াবহতা সম্পর্কে সচেতনতা ও কিডনি বিকল প্রতিরোধে প্রাথমিক অবস্থায় রোগ শনাক্ত এবং চিকিৎসা করে সুস্থ জীবনে ফিরে আনা।
চিকিৎসা করে নয় বরং প্রতিরোধ করেই এ রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে হবে। এ জন্য সচেতনতাই একমাত্র উপায়।
বিশ্ব কিডনি দিবস উপলক্ষে শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘শিশুদের কিডনি রোগ : শুরুতেই প্রতিরোধ’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে বিশেষজ্ঞরা এ মন্তব্য করেন। সেচ্ছাসেবী সংস্থা কিডনি অ্যাওয়ারনেস মনিটিরিং অ্যান্ড প্রিভেনশন সোসাইটি (ক্যাম্পাস) এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে।
অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ল্যাবএইড স্পেশালাইজড হাসপাতালের কিডনি বিভাগের প্রধান ও ক্যাম্পাসের সভাপতি ডা. এম এ সামাদ।এছাড়াও কিডনি ফাউন্ডেশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ঘারুন আর রশিদ, বাংলাদেশ রেনাল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি অধ্যাপক ডা. ফিরোজ খান, পেডিয়াট্রিক নেফ্রোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, মহাসচিব অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ হানিফ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। ডা. এম এ সামাদ বলেন, বিশ্বব্যপী কিডনি রোগের হার আশংকাজনক। দেশে প্রায় দুই কোটি মানুষ কোন না কোনভাবে কিডনি রোগে আক্রান্ত। কিডনি বিকলের চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়বহুল বিধায় দেশের শতকরা ১০ জন রোগী চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারে না। ফলে অর্থাভাবে অকালে মৃত্যু হয় বেশিরভাগ রোগীর।
তিনি বলেন, একটু সচেতন হলেই ৫০ থেকে ৬০ ভাগ ক্ষেত্রে কিডনি বিকল প্রতিরোধ করা সম্ভব। এজন্য প্রয়োজন প্রাথমিক অবস্থায় কিডনি রোগের উপস্থিতি ও এর কারণ শনাক্ত করে চিকিৎসা করা এবং স্বাস্থ্যসম্মত লাইফস্টাইল মেনে চলা। ফোকাস বাংলা।
