বাংলাদেশে ১ কোটি ২০ লাখ নারী কোন না কোন ভাবে প্রতিবন্ধী। এদের মধ্যে ১ শতাংশের কম মেয়ে স্কুলে যায়। খুবই কম সংখ্যক প্রতিবন্ধী নারী কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে খুবই কমসংখ্যক কাজ করলেও সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ার সঙ্গে কেউ জড়িত নয়। প্রতিবন্ধী নারীদের নেতৃত্বে পরিচালিত সাতটি সংগঠন আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় এই তথ্য প্রকাশ করে।
আর্ন্তজাতিক নারী দিবস উপলক্ষে ‘প্রতিবন্ধী নারীর রাজনৈতিক অধিকার ও অংশগ্রহণ’ শীর্ষক এ গোলটেবিল আলোচনার অবস্থা পরিবর্তনে প্রতিবন্ধী নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ জরুরি বলে মন্তব্য করেন সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রে বিজ্ঞজনেরা। তারা জাতীয় সংসদে প্রতিবন্ধী নারীর জন্য দু'টি সংরক্ষিত আসন দাবি করেন। এজন্য রাজনৈতিক দলে প্রতিবন্ধীদের সম্পৃক্ত জরুরি কারণ তারা মনে করেন, প্রতিবন্ধীদের প্রয়োজনের বিষয়টি প্রতিবন্ধীরাই বেশি বুঝবে।
শনিবার ডেইলি স্টার ভবনে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিজএ্যবিলিটি পার্লামেন্টারিয়ান ককাসের আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি, বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় সচিব তরিক-উল-ইসলাম, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি আয়েশা খানম, ইউএন ওমেনের দেশীয় পরিচালক ক্রিসটিন হান্টার, মানবাধিকার কমিশন সদস্য কাজী রিয়াজুল হক চৌধুরী।
আলোচনা সভাপতিত্ব করেন অ্যাকসেস বাংলাদেশ ফাউন্ডেশনের সহসভাপতি মহুয়া পাল, পরিচালনা করেন উইমেন উইথ ডিজএ্যাবিলিটিজ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (ডাব্লিউডিডিএফ) নির্বাহী পরিচালক আশরাফুন নাহার মিষ্টি, স্বাগত বক্তব্য রাখেন ডিজএ্যাবেলড চাইল্ড ফাউন্ডেশন (ডিসিএফ) নির্বাহী পরিচালক নাসরিন জাহান, পেপার উপস্থাপনা করেন বাংলাদেশ ভিস্যুয়েলী ইম্পেয়ার্ড পিপলস সোসাইটির (ভিপস) সাধারণ সম্পাদক নাজমা আরা বেগম পপি, এবং প্রতিান্ধী নারীদের জাতীয় পরিষদের সভাপতি নাসিমা আক্তার।
অ্যাডভোকেট আব্দুল মতিন খসরু এমপি বলেন, প্রতিবন্ধী নারীদের রাজনৈতিক অংশগ্রহেণর পূর্বশর্ত পূরণ করতে হবে। তাদের রাজনৈতিক দলের অংশ নিয়ে রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হবে। অধিকার কেউ কাউকে দেয় না অধিকার আদায় করে নিতে হয়। অধিকার প্রতিষ্ঠা পরিবার থেকেই শুরু করতে হবে।
তরিক-উল-ইসলাম সরকারি চাকুরিতে ১ শতাংশ প্রতিবন্ধী কোটা পূরণের আহ্বান করেন।
