যশোরের মণিরামপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে হাজিরা খাতুন (৩০) নামের এক গৃহবধূকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। রোববার উপজেলার জামলা গ্রামে এঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, প্রায় ১৪ বছর আগে উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের আমিনুদ্দিন গাজীর মেয়ে হাজিরা খাতুনের সাথে পাশ্ববর্তী জামলা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে হাফিজুর রহমানের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই স্বামী হাফিজুর রহমান বিভিন্ন অযুহাতে হাজিরার উপর শারিরীক ও মানষিক নির্যাতন করতো।
মেয়ের সুখের কথা চিন্তা করে তার পিতা বিভিন্ন সময়ে হাফিজুরের হাতে লক্ষাধিক টাকা তুলে দেন। কিন্ত তাতেও শেষ রক্ষা হয়নি হাজিরার।
রবিবার বিকেলে আবারো টাকার জন্য হাজিরার উপর নির্যাতন চালায় স্বামী হাফিজুর রহমান। একপর্যায় তার মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়। এরপর পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্ত্রীর গলায় দড়ি বেঁধে ঘরের আড়ার সাথে ঝুলিয়ে রেখে পালিয়ে যায় স্বামী হাফিজুর।
খবর পেয়ে এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে আটটার দিকে তার মৃত্যু হয়।
হাজিরার বড় ভাই রফিকুল ইসলাম জানান, হাফিজুর আমার বোনকে হত্যা করেছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে মণিরামপুর থানার ওসি তাহেরুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের পর পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
