ভূমি মন্ত্রণালয়ের কর্মচারীদের সম্পদের হিসাব নেওয়া ইতিবাচক :টিআইবি

আপডেট : ১৫ মার্চ ২০১৯, ২২:২১

ইত্তেফাক রিপোর্ট

সম্প্রতি ভূমি মন্ত্রীর নির্দেশে ওই মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন দপ্তরগুলোর ১৭ হাজারেরও বেশি তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারীর সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দেওয়াকে এই খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠার প্রাথমিক ইতিবাচক পদক্ষেপ হিসেবে মনে করছে ট্রান্সপ্যারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ-টিআইবি। তবে মন্ত্রণালয়ের সব পর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এই প্রক্রিয়ার আওতায় আনা না হলে সুফল পাওয়ার সম্ভাবনা সুদূর পরাহত থেকে যাবে বলে আশঙ্কা করছে সংস্থাটি। গত বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সংস্থাটি এ কথা জানিয়েছে।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রধানমন্ত্রী দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘শূন্য সহনশীলতার’ যে ঘোষণা দিয়েছেন, ভূমি মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ তার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। পাশাপশি এ কথাও মনে রাখতে হবে যে, মন্ত্রণালয়ে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর উপর অর্পিত দায়িত্বেরই অংশ। আমরা ভূমি মন্ত্রীকে সাধুবাদ জানাই তবে আমরা এখনো এই উদ্যোগের কার্যকারিতা ও সদিচ্ছার ব্যাপারে পুরোপুরি আশ্বস্ত হতে পারছি না। কারণ অন্যতম দুর্নীতিগ্রস্ত এই খাতটির প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তারা এই প্রক্রিয়ার বাইরে থেকে গেছেন। অথচ তাদের বাদ দিলে পুরো প্রক্রিয়াটিই গ্রহণযোগ্যতা হারাবে।

এছাড়া সেবা খাতে কার্যকর দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা করতে গেলে সম্পদের হিসাব বিবরণী দাখিল শুধু ভূমি মন্ত্রণালয় নয় বরং সব মন্ত্রণালয়ের সব শ্রেণির কর্মকর্তাদের জন্য বাধ্যতামূলক করার পাশাপশি তা নিয়মিত হালনাগাদ ও পরীবিক্ষণের উপরও গুরুত্ব আরোপ করেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক।

তিনি বলেন, সম্পদ বিবরণী যথাযথ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, বিশেষ করে দুদকের মাধ্যমে যাচাই করার উদ্যোগ নিতে হবে এবং বৈধ আয়ের সাথে সম্পদের অসামঞ্জস্যতার ক্ষেত্রে যথাযথ প্রক্রিয়ায় জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে।